আজব কান্ড! মা কালীর মূর্তি পরিবর্তন হল মাদার মেরিতে, কোথায়? কীভাবে? জানুন
মা কালী শুধু আপামর বাঙালি নয়, সমস্ত হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের কাছে ঘরের মেয়ে হিসেবে পূজিত হন। কিন্তু সম্প্রতি কালীমূর্তির সঙ্গে মাদার মেরির চেহারার সাদৃশ্য থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে। মুম্বইয়ের একটি মন্দিরে এরকম অদ্ভূত এক ঘটনা ঘটেছে। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি ও স্থানীয় মানুষরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই মন্দিরের পুরোহিতকে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মুম্বইয়ের চেম্বুর এলাকার আনিক যেমন গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। শুরু হয়েছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মন্দিরের একটি দেবীমূর্তির ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সোনালী কাপড়ে সুসজ্জিত এক দেবীর মাথায় রয়েছে মুকুট। রয়েছে সোনালি ক্রুশও। সেই মূর্তির গায়ের রং দেবী কালির মতো নীল বা কালো নয় বরং ধবধবে সাদা। মূর্তির কোলে আবার একটি ছোট মূর্তিও দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় মানুষজনরা সেই ছোট মূর্তিটিকে শিশু জিশু খ্রিস্ট বলে দাবি করছেন।
मुंबई के चेम्बूर में काली माता मंदिर में माँ काली की मूर्ति को ईसाई मदर मेरी की वेशभूषा पहनाकर विडंबना करने का प्रयास !
— 🚩 Ramesh Shinde 🇮🇳 (@Ramesh_hjs) November 25, 2025
ईसाई मिशनरियों का षड्यंत्र होने का आरोप !
मुंबई पुलिस द्वारा कारवाई ! #Hindu #Temple #Kali #conversion @ReclaimTemples @JaipurDialogues pic.twitter.com/TWtQjcrm6b
স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন যে, ওই মন্দিরে যে বেদিতে দেবী কালীকে বসানো ছিল সেটি সরিয়ে ওই ভিন ধরনের নতুন মূর্তিটি বসানো হয়েছে। যদিও ভিন ধরনের ওই মূর্তিটিও মা কালীর মতোই জিভ বের করে রয়েছেন। মন্দিরের যেখানে আগের মা কালীর মূর্তিটি বসানো ছিল সেখানকার পেছনের অলোকসজ্জাও পাল্টে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করছে স্থানীয়রা।
এক সংবাদ সংস্থা অনুসারে, ভক্তরা যখন মন্দিরের পুরোহিতকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে এরকম পরিবর্তনের কারণ কী, ওই পুরোহিত দাবি করেছেন যে দেবী কালী তাঁর স্বপ্নে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তাঁকে মাদার মেরির রূপে সাজাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মন্দির ভাঙচুরের খবর পাওয়ার পর পুলিশ সেই জায়গায় পৌঁছায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এলাকায় চাঞ্চল্য ও অস্থিরতা রোধ করার জন্য পুলিশের উপস্থিতিতে কালী মূর্তিটি তার আসল অবস্থায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
আপাতত ওই মন্দিরের পুরোহিত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এই ঘটনা ঘটানোর পেছনে ওই পুরোহিতের কোনও উদ্দেশ্য আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications