Jharkhand Train Accident: চাকরি জীবনের শেষ দিনেই মৃত্যু! মালগাড়ি সংঘর্ষে নিহত মুর্শিদাবাদের গঙ্গেশ্বর
Jharkhand Train Accident: মঙ্গলবার কাকভোরে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জে ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। জানা গিয়েছে, মৃত্যু হয়েছে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির চালক গঙ্গেশ্বর মালের। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা বছর ৬৫-এর গঙ্গেশ্বর মাল। ৩১ মার্চই ছিল কাজের শেষ দিন। আর সেদিনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তাঁর।
গঙ্গেশ্বরের মৃত্যুতে শোকের ছায়া জিয়াগঞ্জ জুড়ে। মঙ্গলবার কাকভোরে গোড্ডা জেলার লালমাটি এলাকা থেকে কয়লা বোঝাই ট্রেন ফরাক্কা এনটিপিসির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সেসময় বারহাইট এলাকায় লুপ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল আরেকটি খালি মালগাড়ি। তখনই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় দুটি মালগাড়ির। আগুন লেগে যায় মালগাড়ি দুটিতে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান গঙ্গেশ্বর মাল ও অপর মালগাড়ির চালক অম্বুজ মাহাত।

চাকরি জীবনের শেষ দিনেই মর্মান্তিক মৃত্যু গঙ্গেশ্বরের। ২ দিন আগেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। অবসর নিয়ে শীঘ্রই বাড়ি ফেরার কথা ছিল। শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। গঙ্গেশ্বরের মেয়ে জানান, "খবর এল বাবা দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছেন। অন্য গাড়ি বাবার লাইনে এসে যায়। মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে যায়। তারপর খবর পাই বাবা আর নেই।" কান্নায় ভেঙে পড়েন গঙ্গেশ্বরের মেয়ে।
এপ্রসঙ্গে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জের পুরপ্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষ জানান, পাঁচ বছর আগেই অবসরের সময় হয়েছিল গঙ্গেশ্বরের। এক্সটেনশনে কাজ করছিলেন ট্রেনের চালক হিসেবে। ঝাড়খণ্ড থেকে আজিমগঞ্জ জংশনে এসে ট্রেনের ইঞ্জিন জমা করে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তাঁর আগেই কর্মজীবনের শেষের সঙ্গে প্রাণটাও শেষ হয়ে গেল।
মালগাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন চার সিআইএসএফ কর্মীও। যদিও দুর্ঘটনার দায় নিল না ভারতীয় রেল। রেলের তরফে স্পষ্টতই জানানো হয়েছে, এনটিপিসির নিজস্ব লাইনেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলের তরফে পরিষ্কার বলা হচ্ছে, ভারতীয় রেলের সঙ্গে দুর্ঘটনার সম্পর্ক নেই।
রেলের দাবি, প্রাইভেট অপারেটররা বলতে পারবেন কেন ঘটেছে। সেখানে সমস্ত রেল পরিচালনা তারাই করেন। ফরাক্কা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত লাইন। পূর্ব রেলওয়ের মালদহ ডিভিশনের থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল, সেইমতো সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানায় রেল।












Click it and Unblock the Notifications