Jahrkhand Crisis: দিল্লির পথে চম্পাই সোরেন, জোরাল হচ্ছে হেমন্ত সরকারের পতনের ইঙ্গিত
ঘর ভাঙছে হেমন্ত সোরেনের। জল্পনা আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। এবার সেই জল্পনা আরও জোড়াল হল চম্পাই সোরেনকে নিয়ে। শোনা যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীন নেতা নাকি দিল্লি রওনা হয়েছেন। সঙ্গে তাঁর ৬ জেএমএম বিধায়ক। তারা নাকি সকলেই বিজেপিতে যোগ দেবেন।
দুর্নীতির অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন হেমন্ত সোরেন। সেময় মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেই পদে দলের প্রবীণ বিশ্বস্ত নেতা চম্পাই সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছিলেন তিনি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের চম্পাই সোরেনের জায়গায় নিজে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন। তারপর থেকেই দলের অন্দরে একটা চাপানউতোর তৈরি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

শোনা যাচ্ছিল নাকি বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন চম্পাই সোরেন। তাঁর সঙ্গে নাকি হাত মিলিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার ৬ বিধায়ক। তাঁরা নাকি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছিলেন। শোনা যাচ্ছিল এই৬ বিধায়ককে নিয়ে নাকি দিল্লিতে রওনা হয়েছেন চম্পাই সোরেন। যদিও দিল্লিতে পা রেখেই প্রবীণ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নেতা জানিয়েছেন একেবারেই ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। বিজেপিতে যোগদানের কোনও পরিকল্পনাই তাঁর নেই।
চম্পাই সোরেন বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, তিনি দিল্লিতে এসেছেন তাঁর ব্যক্তিগত কাজে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। পুরোটাই ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার পক্ষ থেকেও চম্পাই সোরেনকে নিয়ে এই জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিজেপি ডুবন্ত জাহাজ তাই সেই ডূবন্ত জাহাজে চড়ার কোনও ইচ্ছেই চম্পাই সোরেনের নেই।
হেমন্ত সোরেনের পরিবারে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা চম্পাই সোরেন। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার অত্যন্ত বিশ্বস্ত একজন কর্মী। পার্টির অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি দলে থেকেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। দল বদলের কোনও সিদ্ধান্ত তিনি নিতে পারেন না বলেই দাবি করেছে জেএমএম। সেই বিশ্বাসযোগ্যার কারণেই তাঁর উপরে ভরসা করে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়েছিলেন হেমন্ত সোরেন।












Click it and Unblock the Notifications