Jharkhand Assembly Election 2024: হেমন্ত সোরেনের মাইয়া যোজনা, ঝাড়খণ্ড ভোটে কতটা খেলা ঘোরাবে?
আগামী কাল ঝাড়খণ্ডে প্রথম দফায় বিধানসভা নির্বাচন। আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক কি ধরে রাখতে পারবে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা? না কি এবার বিজেপির দিকে ঝুঁকবে আদিবাসী জনজাতি ভোট? সেই প্রশ্ন উঠছে।
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন মাইয়া যোজনা চালু করেছিলেন। রাজ্যের মহিলাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্কিম এটি৷ ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলারা প্রতি মাসে হাজার টাকা করে পান। ৪৮ লক্ষ মহিলাকে এই যোজনার আওতায় আনার কাজ চলেছে৷ প্রান্তিক ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের জন্য ঝাড়খণ্ড সরকারের এই উদ্যোগ।

৩১ আগস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। আর তাই নিয়েই ভোটের বাজারে যথেষ্ট চর্চা চলছে। এবার বিজেপি ও অন্যান্য বিরোধী শক্তি হেমন্ত সোরেনের সরকারের উপর নি:শ্বাস ফেলছে। দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগ করছে বিজেপি। বিজেপি তারকা প্রচারকরা প্রচার করছেন। সেখানে কি এবার সরকার ধরে রাখতে পারবেন হেমন্ত সোরেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
মাইয়া প্রকল্প কতটা হেমন্ত সোরেনকে সাহায্য করবে? ভোটবাক্সে কতটা মহিলারা জেএমএমকে সমর্থন জানাবেন? সেই প্রশ্নও এখন কোটি টাকার। এদিকে বিজেপি গোগো দিদি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা প্রতি মাসে ২১০০ টাকা করে পাবে। শাসক ও বিরোধীরা মহিলা ভোটব্যাঙ্ক পাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে৷
ঝাড়খণ্ডের খুন্তি, টামার, জামশেদপুর এলাকার মহিলারা কী ভাবছেন এই সরকারি স্কিম নিয়ে? প্রান্তিক অঞ্চলের অনেক মহিলাই এই স্কিমে উপকার পেয়েছেন। করোনা কালে প্রবল আর্থিক সমস্যা হয়েছিল৷ অনেকেই জানাচ্ছেন, করোনা কালে সঞ্চয়ে টান পড়েছিল। এছাড়াও বাজারে জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে। সেই হিসেবে সরকার প্রতি মাসে টাকা দিলে সুবিধাই হবে। এবার দীপাবলির সময় অনেক মহিলাই কেনাকাটা করেছেন। ছটপুজোতেও খরচ করেছেন। এছাড়াও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্যও অনেকে এই টাকা খরচ করছেন।
কেউ আবার বড় কোনও পরিকল্পনার জন্য টাকা জমানোর কথা ভাবছেন। সমাজের একটা অংশের মহিলাদের মধ্যে এই প্রকল্পে সাড়া পড়েছে৷ এমনই মত রাজনৈতিক মহলের একটা অংশের৷ তারপরেও প্রশ্ন থাকছে মাইয়া প্রকল্পের ফসল কতটা তুলতে পারবেন হেমন্ত সোরেন?












Click it and Unblock the Notifications