Lok Sabha Election 2024: জেডিএস মুসলিম সমর্থনে সিঁদুরে মেঘ দেখছে, বিজেপি-সঙ্গ কি বুমেরাং হবে শেষে
কর্নাটকে জেডিএস বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু তারা বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোয় তাদের মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে যে আঘাত নেমে আসবে, তার ইঙ্গিত মিলতে শুরু করেছে। সংখ্যালঘু নেতারা একে একে সরে যাচ্ছেন জেডিএসের পাশ থেকে।
১৯৯৪ সালে কর্নাটকে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের সমর্থন জেডিএসের দিকে ছিল। এখন কর্নাটকের নির্বাচনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে হারের পর তারা বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতেই বেঁকে বসেছেন সংখ্যলঘুরা। এইচডি কুমারস্বামী-সহ শীর্ষ জেডিএস নেতারা গত কয়েকদিন ধরে মুসলিম নেতাদের বুজিয়েও কোনও কূল-কিনারা পাচ্ছেন না।

মুসলিম নেতাদের ডেকে বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধতার পরিপ্রেক্ষিতে দলত্যাগ না করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন কুমারস্বামীরা। কিন্তু জেডিএসের অনেক মুসলিম নেতারা তা বুঝতে চাইছেন না। প্রাক্তন মন্ত্রী এম এম নবি, দলের সিনিয়র নেতা নাসির হুসেন ওস্তাদ এবং কেন্দ্রে রাজ্য সরকারের প্রাক্তন বিশেষ প্রতিনিধি মহিদ আলতাফ-রা স্বীকার করেছেন, তাঁদের জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছেন কুমারস্বামী।
তাঁরা বলেন, "আমরা কুমারস্বামীর কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। কিন্তু আমরা আমাদের মন পরিবর্তন করিনি। আমি দুটি পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেছি। একটি প্রদেশ নেতৃত্বের কাছে এবং অন্যটি জাতীয় নেতৃত্বের কাছে। উদ্বেগের বিষয় হল যে, গেরুয়া শিবিরে জোট ক্ষমতায় এলে কর্নাটকে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার রাজনীতি করেছে।
এখন আমরা সেই দলকেই সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তারা জেডিএস-এর সমর্থন ব্যবহার করে ফের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করবে। আমি বা আমরা এর ভাগীদার হতে চাই না। প্রাক্তন জেডিএস সহ-সভাপতি সৈয়দ শফিউল্লাহ সাহেব স্পষ্ট করে বলেন, সে কথা।
মুসলিম নেতাদের এই ধরনের প্রতিক্রিয়ায় স্বাভাবিকভাবে অস্বস্তিতে জেডিএস সুপ্রিমো এইচডি দেবগৌড়া। তিনি বাধ্য হয়েছেন বলতে যে, "আমাদের যেকোনো দলের সহ্গে সরকার গঠন করতে হোক না কেন, কর্নাটক রাজ্যে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার। তারপরও জল্পনা চলছে দলের সকল স্তরের মুসলিম নেতাদের জেডিএস ত্যাগ নিয়ে।
জেডিএস বিধায়ক শারাঙ্গৌডা কান্দাকুর (গুরমিতকাল) এবং করেমা গোপালকৃষ্ণ (দেবদুর্গা) বিজেপির সাথে দলের জোটের বিরোধিতা করেছেন। কান্দাকুর পরামর্শ দিয়েছেন, জেডিএস নেতৃত্বের উচিত অসন্তুষ্ট সমস্ত নেতাদের ডেকে দলের সঙ্গে থাকতে রাজি করানো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেস ও বিজেপি জেডিএস-এর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই পরিস্থিতিতে জেডিএস কীভাবে শত্রুর সাথে জোট বাঁধতে পারে?
গত বিধানসভা নির্বাচনে জেডিএস ২৩ জন মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু কেউ জেতেননি। রাজ্যের ৩০টিরও বেশি বিধানসভা কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারদের প্রভবা রয়েছে। শীর্ষ জেডিএস নেতারা এখন চিন্তিত যে, মুসলিমরা যদি জেডিএস ত্যাগ করে তবে এটি ভক্কালিগাসের দলে পরিণত হবে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications