কাশ্মীরে শহিদ ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত, পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ
জন্মু-কাশ্মীরে সেনা, জঙ্গির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন পাঁচ সেনা, মারা গেছে দুই জঙ্গিও। সেনাদের মধ্যে একজন ছিলেন উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত। বীর সন্তানকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই সঙ্গে তিনি তার পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
তবে এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জেলার একটি রাস্তার নাম ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্তর নাম রাখা হবে। যোগী সোশ্যাল সাইটে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি এও জানান, উত্তরপ্রদেশ সরকার শুভম গুপ্তর পরিবারের পাশে সব সময় রয়েছেন।

ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত ২০১৫ সালে সেনাবাহিনী যোগদান করেছিলেন। বুধবার কাশ্মীরের রাজৌরিতে জঙ্গি দমন অভিযানের জন্য তাঁকে সেখানে যেতে হয়েছিল। জানা গিয়েছেন শুভম গুপ্তের প্রথম পোস্টিং ছিল উধমপুরে। সংঘর্ষের দ্বিতীয় দিনে বাজিমাল এলাকায় সেনাবাহিনী ও জঙ্গিদের গোলাগুলির লড়াই আরও উত্তাল হয়ে ওঠে। মারা যায় দুই জঙ্গিও। এদিকে সেই এলাকায় আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়, উত্তরপ্রদেশের আগ্রার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে শহিদ হয়েছেন।
এদিকে রাজৌরির এনকাউন্টারে বৃহস্পতিবারও একজন সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। ঘটনায় মোট শহিদ জওয়ানের সংখ্যা বেড়ে দাড়ায় পাঁচ। তাঁদের মধ্যে দু'জন অফিসার। শহিদ পাঁচজন হলেন কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল, উত্তরপ্রদেশের আগ্রার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত, পুঞ্চের অজোটের বাসিন্দা হাভিলদার আবদুল মজিদ, উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের হলি পদলির বাসিন্দা ল্যান্স নায়েক সঞ্জয় বিস্ত এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের নাগালিয়া গিউরোলোর প্যারাট্রুপার সচিন লাউর।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কালাকোট এলাকা, গুলাবগড় বন এবং রাজৌরি এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। সন্ত্রাসীদের মধ্যে অনেকেই এই ঘটনায় আহত হয়েছে। জন্মু-কাশ্মীর, রাজৌরি, কালাকোট এলাকায় উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস থেকে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছেন অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে। আর তারপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শুরু হয় সেনাবাহিনী ও জঙ্গির লড়াই। সন্ত্রাসবাদীরা নারী ও শিশুদেরও ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আর সেখানেও রুখে দাড়ান দেশের বীর সেনারা।












Click it and Unblock the Notifications