জীবন্ত কেউ কি এখনও আটকে আছে ওয়েনাড়ের কাদামাটিতে? উদ্ধারকাজে কোন কোন এলাকায় জোর দেওয়া হচ্ছে?
প্রাণহানিকর ভূমিধসের পর পাঁচ দিন কেটে গিয়েছে৷ ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে কোনও খামতিই রাখছে না সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ ও অন্যান্যরা। রবিবার সকালেও উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে৷ ক্রমশ উপরের দিকে ধস নামার মূল অংশে যাওয়ার কাজ করছে সেনাবাহিনী।
মৃত্যুর সংখ্যা কোথায় গিয়ে ঠেকবে? তাই নিয়ে যথেষ্ট চর্চা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩০০ পেরিয়ে গিয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। এছাড়াও বহু দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। জল কাদামাটির মধ্যে এখনও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন। এই কথা মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে আটকে থাকা মানুষরা আর কেউ জীবিত আছেন? সেই প্রশ্নও উঠছে।

নতুন করে আর কাউকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। প্রাণের সন্ধান আর মিলবে না। ধ্বংসলীলার পর এতদিন ধরে জীবিত থাকা কার্যত অসম্ভব। এমনই মনে করছে সেনাবাহিনী। তবে তারা খামতি দিতে চান না। মৃতদেহ সন্ধানের কাজ চলছে। পাশাপাশি কেউ আটকে থাকলে তাকেও উদ্ধার করা হবে।
সেতু তৈরির পর সেনাবাহিনীর জওয়ানরা দুর্ভেদ্য এলাকায় ঢুকতে শুরু করেছেন। শনিবার জল কাদামাটি ভেঙে তারা অনেকটাই এগিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। আর কত মৃতদেহ পাওয়া যাবে তাই নিয়েও ধন্দ রয়েছে। এখনও কয়েকশো মানুষ নিখোঁজ হয়ে রয়েছেন। এমনই কথা শোনা যাচ্ছে। তাদের জীবিত উদ্ধার করার সম্ভাবনা ক্রমশই ক্ষীণ হচ্ছে। মৃতদেহ কত জনের উদ্ধার করা যাবে? তাই নিয়েও আলোচনা চলছে।
আত্তামালা এবং অরণমালা (প্রথম), মুন্ডক্কাই (দ্বিতীয়), পুঞ্চিরিমত্তম (তৃতীয়), ভেল্লারিমালা গ্রাম (চতুর্থ), জিভিএইচএসএস ভেল্লারিমালা (পঞ্চম) এবং নদী তীর (ষষ্ঠ)। এই ছয় টিজন ভাগ করে উদ্ধার কাজ চলছে বিভিন্ন জায়গা থেকেই মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বহু জায়গা থেকেই এখন দেহাংশ উদ্ধার হচ্ছে।
সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর নদী এখন শান্ত। গোটা এলাকা জুড়ে শ্মশানের স্তব্ধতা। তার মধ্যেই যতটা সম্ভব দ্রুত উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। আধুনিক সব যন্ত্রপাতি উদ্ধারকাজের জন্য ব্যবহার করছে সেনা।












Click it and Unblock the Notifications