Pahalgam Terror Attack: PoK-তে ২৮টি লঞ্চপ্যাডে সক্রিয় ২০০ জঙ্গি! কাশ্মীর নিয়ে চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা রিপোর্ট
Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও-তে জঙ্গি হামলায় চলে গিয়েছে ২৬টি তরতাজা নিরীহ প্রাণ। হিন্দু ধর্মের হওয়ায় পর্যটকদের গুলি করে খুন করে দিয়েছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট লস্কর ই তৈবার জঙ্গিরা। প্রতিশোধ নিতে ফুঁসছে গোটা ভারত। এমতাবস্থায় জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গি সন্দেহভাজনদের ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। চিহ্নিত করা হয়েছে জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড ও প্রশিক্ষণ শিবিরও।
জঙ্গি হামলার পর ম্যারাথন তল্লাশিতে নেমে ইতিমধ্যেই প্রায় দেড় হাজার সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে সেনা ও পুলিশ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের ঘাঁটিগুলি চিহ্নিত করছে ভারতীয় সেনা। গোয়েন্দা মহল সূত্রে খবর, কয়েক মাস ধরেই জঙ্গিদের এই প্রশিক্ষণ শিবির ও লঞ্চপ্যাডগুলিতে কড়া নজরদারি রাখছে ভারতের বিভিন্ন গোয়েন্দা এজেন্সি।

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সেই জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে ফেলতে কী কী সামরিক তরফে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেনিয়ে ইতিমধ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে বিস্তারিত সম্ভাব্য পরিকল্পনা জানানো হয়েছে ভারতীয় সেনার তরফে। ঘাঁটিগুলিতে জঙ্গিমূলক কার্যকলাপ তথা গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখছে ভারতীয় সেনা। বিভিন্ন সামরিক কৌশল প্রস্তুত রাখা হয়েছে সেনার তরফে।
গোয়েন্দাদের দাবি, জম্মু ও কাশ্মীরের ওপাড় থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নানা ক্যাম্পে অপেক্ষা করছে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। আর এই অনুপ্রবেশের মদতদাতা খোদ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। যার মধ্যে সাম্প্রতিকতম যোগ বাট্টাল সেক্টর। সেখানে গুলির লড়াই তালিয়ে অনুপ্রবেশ রুখে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, সেই গুলির লড়াইতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জঙ্গিদের ৬৪২ মুজাহিদিন ব্যাটেলিয়ন।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বর্তমানে প্রায় ৬০ জন বিদেশি জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। তাদের সংগঠন হচ্ছে মূলত হিজবুল মুজাহিদিন, জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর ই তৈবা। এদিকে উপত্যকায় স্থানীয় এরকম জঙ্গির সংখ্যা হল ১৭। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যে সমস্ত জঙ্গি লঞ্চপ্যাড চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলি হল- দুদনিয়াল, আব্দুল বিন মাসুদ, চেলাবান্দি, মানসতায়া, ম্যাচ ফ্যাক্টরি, দেওলিয়ান, ঘাড়ি দুপাট্টা, সাফাইদা, হালান সুলামি, বাঘ, আলিয়াবাদ, ফরওয়ার্ড কাহুতা, রাওয়ালা পোর্ট, ডুঙ্গি, টাট্টা পানি, হাজিরা, সেঁসা, কোটলি, নিকাল, পালানি, বারালা, পালকমিরপুর, ফাগোশ, গুলপুর, কুণ্ড, সামানি, কোটেরা ও খুইরেট্টা।
এছাড়াও যে সমস্ত জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির নজরবন্দি রয়েছে, সেগুলি হল জালালবাদ, বাটেরাসি, খালিদ বিন ওয়ালিদ, শিনকিয়ারি, গাডহি হাবিবুল্লাহ, মঙ্গল, উমর বিন খিতাব, খেউড়ি, অট্টরশিসা, অ্যবোটাবাদ, তারবেলা, জাফর ইকবাল বাইবা, আলফা-৩ কন্ট্রোল রুম, কালি ঘাটি (হাজিরা)।












Click it and Unblock the Notifications