মাত্র পাঁচটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ ভারতের সিংহভাগ করোনার অ্যাক্টিভ কেস, তিনে বাংলা
মাত্র পাঁচটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ ভারতের সিংহভাগ করোনার অ্যাক্টিভ কেস, তিনে বাংলা
দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ওমিক্রন আতঙ্ক গ্রাস করতে শুরু করেছে বেশ কয়েকটি রাজ্যকে। কারণ ইতিমধ্যেই দিল্লি, মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থাবা বসাতে শুরু করেছে। এবং ইতিমধ্যে ভারতে সেই সংখ্যাটা একশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, দেশের মোট করোনা সংক্রমণের সিংহভাগ মাত্র পাঁচটি রাজ্যে হচ্ছে।

ভারতে অ্যাক্টিভ কেস
ডিসেম্বরের প্রথম ১৭ দিনে যাওয়ার পর দেখা যাচ্ছে ভারতে অ্যাক্টিভ কেস মোট ৮৬ হাজার ৪১৫ জন। যার মধ্যে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে মোট অ্যাক্টিভ কেস ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন।

কেরলে পরিস্থিতি খারাপ
এর মধ্যে কেরলে ডিসেম্বর মাসে মোট অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৮৩৬ জন। অর্থাৎ দেশের মোট অ্যাক্টিভ কেসের ৪০.৩১ শতাংশই কেরলের বাসিন্দা বলে কেন্দ্রীয় রিপোর্ট বলছে।

তিনে বাংলা
মহারাষ্ট্রে তার মধ্যে ১০৩৭২ জন, পশ্চিমবঙ্গে ৭৫০৬ জন, তামিলনাড়ুতে ৭৪৭৬ জন এবং কর্নাটকে ৭১৮৭ জনের ডিসেম্বর মাসে করোনা ভাইরাসের অ্যাক্টিভ সংক্রমণ রয়েছে। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকে প্রায় সমান সংখ্যায় অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ডিসেম্বর মাসে।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের থাবা
দক্ষিণ আফ্রিকার যে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ভারতে থাবা বসিয়েছে, তাতে ইতিমধ্যে একশো জনের বেশি এদেশে আক্রান্ত হয়েছেন। আগামিদিনে এই সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ৩২ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও কেরল, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ুতে এই সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে।

আইসিএমআর এর সতর্কতা
ইতিমধ্যে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর-এর তরফ থেকে আসন্ন বড়দিন এবং নিউ ইয়ার সেলিব্রেশনের সময় কী কী করতে হবে এবং কী কী করতে হবে না সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট গাইডলাইন জারি করা হয়েছে। আগামিদিনে যাতে নতুন করে গণ সংক্রমণ না ছড়ায় তা আটকাতে প্রশাসনের তরফে বিভিন্ন পদক্ষেপ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications