লাদাখ সীমান্তের দু'দিকে মোতায়েন রয়েছে ১ লক্ষ! দীর্ঘ সংঘাতের জন্য তৈরি ভারতীয় সেনা

ইতিমধ্যে ভারত-চিন সেনা পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সীমান্তে নতুন করে বাড়তি সেনা কেউ পাঠাবে না আর। ওয়াকিবহাল এক সূত্রের খবর, চিন পূর্ব লাদাখের সীমান্ত বরাবর সেনা সরাতে চায়নি। প্যাংগং লেকের উত্তর দিকে, দেপসাং এবং হট স্প্রিংস অঞ্চলে অনুকূল স্থানগুলি থেকে সেনা সরাতে অস্বীকার করেছে।

ভারত-চিন কমান্ডার স্তরের বৈঠক

ভারত-চিন কমান্ডার স্তরের বৈঠক

মলডোয় ফের একবার ভারত-চিন কমান্ডার স্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবারের বৈঠকেও মিলল না কোনও স্থায়ী সমাধানসূত্র। সোমবার টানা প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয় দুপক্ষের মধ্যে। তবে কোনও ফলাফল এবারও এল না। বৈঠকে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিবও উপস্থিত ছিলেন। লাদাখ পরিস্থিতির স্পষ্ট ধারণা পেতেই দিল্লি সেই পদক্ষেপ নিয়েছিল।

চুশুল-মলডো এলাকায় একাধিক বৈঠক

চুশুল-মলডো এলাকায় একাধিক বৈঠক

চুশুল-মলডো এলাকায় এখনও পর্যন্ত একাধিক বৈঠক হয়েছে কর্পস কমান্ডার স্তরে। ৬ জুন, ২২ জুন, ৩০ জুন, ১৪ জুলাই, ২ অগাস্টের পর ২১ সেপ্টেম্বর। লেফটেন্যান্ট-জেনেরাল স্তরে এতগুলি বৈঠকেও মেলেনি রফাসূত্র। তবে এবারের বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ছিল চিন সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে থাকা ভারতের বিদেশমন্ত্রকের যুগ্মসচিব নবীন শ্রীবাস্তব এবং ১৪ কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনেরাল হরিদার সিং এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজি কে মেনন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় সেনা প্যাংগং লেকের দক্ষিণ তীরে ঘাঁটি গেড়েছে

ভারতীয় সেনা প্যাংগং লেকের দক্ষিণ তীরে ঘাঁটি গেড়েছে

চিন চেয়েছিল যে ভারতীয় সেনা প্যাংগং লেকের দক্ষিণ তীরে সদ্য দখল করা প্রভাবশালী অবস্থানগুলি থেকে সরে দাঁড়াবে, যা ভারতের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। এবং এই ভারতও তাদের ঘুঁটি সাজাচ্ছে ক্রমাগত। দিল্লি থেকে লেহ, সব জায়গার একটি মাত্র বক্তব্য। লাাখে এক ইঞ্চি জমিও চিনকে ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না কোনও ভাবেই।

অচলাবস্থা মেটার কোনও ইঙ্গিত নেই

অচলাবস্থা মেটার কোনও ইঙ্গিত নেই

অচলাবস্থা মেটার কোনও ইঙ্গিত না পাওয়া গেলেও, দু'পক্ষ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ফের এক দফায় বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে, বলে সূত্রের খবর। এপ্রিল-মে মাসে সংঘাতের বাতাবরণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে বেশ কয়েকবার আলোচনায় বসেছে দুই পক্ষ।

পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে বাধ্য

পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে বাধ্য

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে বাধ্য বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এমনকি চিন অক্টোবরে ভারতকে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি এবং সংঘর্ষবিরতি প্রোটোকলগুলি ইতিমধ্যেই লঙ্ঘণ হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি আরও গম্ভার হবে বলে মত অনেকেরই। তার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

অক্টোবরে আরও উত্তপ্ত হবে পরিস্থিতি

অক্টোবরে আরও উত্তপ্ত হবে পরিস্থিতি

অক্টোবর এবং তার পর নভেম্বর মাসে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলাকাগুলি যে কোনও মানুষের থাকার জন্য চরম প্রতিকূল হয়ে ওঠে। ভারী তুষারপাত, হিমশীতল তাপমাত্রা ও কনকণে ঠাণ্ডা হাওয়ায় যুদ্ধ তো দূরে থাক, কোনও মানুষ পর্যন্ত থাকাটা অসাধ্য হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, বরফ না গলে যাওয়া পর্যন্ত হিমালয়ের সুউচ্চ পাহাড়ি এলাকায় জওয়ান ও সাপ্লাই বজায় রাখাটা উভয় দেশের জন্য বিশাল বড় অর্থনৈতিক বোঝা হতে পারে।

পাহাড়ে জওয়ান, সামরিক সরঞ্জাম বাড়ানো হয়েছে

পাহাড়ে জওয়ান, সামরিক সরঞ্জাম বাড়ানো হয়েছে

একদিকে পাহাড়ে জওয়ান, সামরিক সরঞ্জাম বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভারত-চিন আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে, এলএসি-এর দুপাশে এক লক্ষেরও বেশি জওয়ান মোতায়েন করা আছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে চিন বেনজিরভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা মোতায়েন করছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতও পাকিস্তান কেন্দ্রিক সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে চিন কেন্দ্রিক সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি নিতে শুরু করেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+