অনুপ্রবেশ করা চিনের পুরনো অভ্যাস! ভারতীয় ভূখণ্ডে কতবার ঢোকার চেষ্টা চালিয়েছে পিএলএ? কী বলছে ইতিহাস
অনুপ্রবেশ চিনের পুরনো অভ্যাস! ভারতীয় ভূখণ্ডে কতবার ঢোকার চেষ্টা চালিয়েছে পিএলএ? কী বলছে ইতিহাস
সোমবার ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে সংঘর্ষ শুরু করে চিনের পিএলএ। এই সংঘর্ষে ভারতের তরফে ২০ জন সৈনিক শহিদ হন। অপর দিকে চিনের তরফেও অন্তত ৪৩ জনের হতাহতের খবর মিলছে। এই পরিস্থিতির জন্য মূলত চিনের অনুপ্রবেশই দায়ি। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগে বারংবার এই কাজ করেছে চিন। ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে দেখে নেওয়া যাক সেসব ঘটনা।

তুলুঙ লা - ১৯৭৫
অরুণাচলপ্রদেশে চিনা সেনা ঢুকে অসম রাইফেলসের ৪ সৈনিককে মারে। ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর ঘটনাটি ঘটেছিল। প্রসঙ্গত, অরুণাচলপ্রদেশকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে এসেছে চিন। তাঁদের দাবি এটা দক্ষিণ তিব্বত। তাই এই অংশ নিয়ে ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ বিবাদ রয়েছে চিনের।

সুমডোরং চু - ১৯৮৭
এই ঘটনাটি ১৯৬২ সালের পর ভারত ও চিনের মধ্যে সব থেকে বড় সংঘর্ষে পরিণত হয়েছিল। সেই সময় চিনা সেনা হাথুং লা দখল করে নিয়েছিল। এরপর তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল কে সুন্দরজি-র নির্দেশে ভারতীয় সেনা সেখানা আকাশপথে গিয়ে নামে ও চিনকে প্রতিহত করে। ১৯৬২ সালের পর এই প্রথম এই সময়ে ফ্ল্যাগ মিটিং হয় দুই পক্ষের।

ডেপসাং - ২০১৩
সেবার ২১ দিন ধরে ভারত ও চিনের মধ্যে ফেস অফ চলে। চিনে সেবার ১৯ কিলোমিটার ভিতরে চলে আসে ভারতীয় সীমার। ২০১৩ সালের ১৫ এপ্রিল ৫০ জনের একটি চিনা দল ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় তিনটি তাঁবু খাটিয়ে নেয়। অবশ্য ভারত এই জমি হারানোর বিষয়টি ২০১৪ সালে গিয়ে স্বীকার করেছিল।

ডোকলাম - ২০১৭
২০১৭ সালের জুনে এক রাস্তা নিয়ে দু'দেশের উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। মেরুগ লা থেকে ডোকলাম থেকে যে সড়ক চিনা সেনা বানাচ্ছিল, তা সব ধরনের আবহাওয়া সইতে পারে। অর্থাৎ, সারা বছরই ডোকলামে সেনার যাতায়াত নিশ্চিত করতে চেয়েছিল বেজিং। ইয়াতুং থেকে জেলেপ লা পর্যন্ত একই ধরনের রাস্তা বানানোর চিনা পরিকল্পনাও তখন সামনে আসে। শুধু তাই নয়, ডোকলামকে কেন্দ্র করে গাড়ি রাখার বন্দোবস্ত, হেলিপ্যাড, বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব, এমন পরিখাও তৈরি করে চিন। এরপরই বাধে বিবাদ।












Click it and Unblock the Notifications