Parliament Session 2024: সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই প্রতিবাদে বিরোধীরা, সংবিধান হাতে ধরনায় সামিল তৃণমূলও
তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন। প্রথম দিনেই সক্রিয় বিরোধীরা। নয়া সংসদ ভবনে যখন একের পর এক বিজেপি সাংসদরা শপথ নিচ্ছেন। ঠিক তখনই সংসদ ভবন চত্ত্বরে সংবিধান হাতে বিক্ষোভে সামিল বিরোধীরা। ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। তাতে সামিল হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা নয়া সংসদভবন চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন বাংলাকে না জানিয়েই তিস্তা জলবন্টন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনায় বসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই ভাবে একনায়কন্ত্র চলতে পারে না। সরাসরি নিশানা করেছেন।

সংবিধানকে রক্ষা করতেই তাঁদের এই প্রতিবাদ আন্দোলন বলে মনে জানিয়েছেন বিরোধী দলের সাংসদরা। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গেরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। আরজেডি এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরাও এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন। সংবিধান হাতে নিয়ে সংবিধান রক্ষার দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।
প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, এবার যদি বিজেপি ৪০০ আসন পেতো তাহলে সংবিধানের সমূহ বিপদ হত। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিপদ হতো বলে বলে মন্তব্য করেছেন সৌগতরায়। সংবিধান অগ্রাহ্য করেই প্রোটেম স্পিকার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই সংবিধান লঙ্ঘন করা শুরু করে দিয়েছে মোদী সরকার। সেই সংবিধান নিয়ে দিশা দেখাতেই বিরোধীদের এই বিক্ষোভ বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের নিশানা করেছেন। তিনি কংগ্রেস আমলের জরুরি অবস্থা জারির কথা স্মরণ করিয়ে বলেছেন, দেশের মানুষ সেই কালোদিন কোনওদিন ভুলবেন না। সেই পর্যায় থেকে ভারত বেরিয়ে এসেছে। দেশে এখন গণতন্ত্রের সঠিক অর্থ বুঝতে পারছে। এবারে বিরোধীরা সঠিক ভূমিকা পালন করবেন এবং দায়িত্বশীল সাংসদেরক ভূমিকা পালন করবে তারা এমনই মন্তব্য করেেছন।












Click it and Unblock the Notifications