INDIA Bloc Meeting: জোটের জন্য সময়সীমা ও আসন প্রস্তাব মমতার! বুধবার দিল্লি যাত্রা বাংলার কংগ্রেস নেতাদের
INDIA Bloc Meeting: দিল্লির অশোকা হোটেলে ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকে সময়মতো এলেন, খাড়গের নাম প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে প্রস্তাব করলেন, কিন্তু বৈঠক শেষ হওয়ার পরেই সাংবাদিক বৈঠকের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অবশ্য আসন সমঝোতার ব্যাপারে তৃণমূলের তরফে শর্ত দেওয়া হয়েছে।
এদিন ইন্ডিয়া ব্লকের বৈঠকে একমঞ্চে দেখা যায় সনিয়া গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, সীতারাম ইয়েচুরিদের। কিন্তু ইন্ডিয়া ব্লকের চতুর্থ এই বৈঠকে আসন সমঝোতার চূড়ান্ত রূপ বেরিয়ে আসেনি। সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি আগেই জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতা সম্ভব নয়।

এদিনের বৈঠকে তৃণমূলের তরফে বিভিন্ন রাজ্যে আসন সমঝোতার জন্য সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি করার কথা বলা হয়েছে। সে ব্যাপারে বৈঠকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে আসন রফার জন্য ৩১ জানুয়ারি সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন।
অন্যদিকে, ২৪৫ টি আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের কাছে এদিন প্রস্তাব করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই খবর সূত্রের। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস ৩০০ টি আসনে লড়াই করুক, বাকি ২৪৫ টি আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দিক।
বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যেখানে যেদল শক্তিশালী সেখানে সেই দলের নিয়ন্ত্রণ থাকুক। যেমন উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টি, দিল্লি ও পঞ্জাবে আপ এবং পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর অনুযায়ী তিনি কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গে দুটি আসন ছাড়তে রাজি। মেঘালয়ে একটি আসনে তৃণমূলের লড়াইয়ের জন্য দরবার করেছেন কংগ্রেসের কাছে।
অন্যদিকে সূত্রের খবর, কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ছটি আসনে তারা লড়াই করতে চায়। যে কারণে এদিনের বৈঠকের পরেই রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্বকে বুধবার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তারা ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স কমিটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, রাজ্যে কোনওভাবেই তৃণমূলের সঙ্গে জোট করবে না কংগ্রেস। দিল্লিতে যেভাবে বিজেপির সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে, রাজ্যেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একইভাবে লড়াই চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিন কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, ইন্ডিয়া ব্লকের মধ্যে আসন ভাগাভাগি হবে রাজ্যস্তরে। এই সূত্রে কাজ না হলে সবাই মিলে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, দিল্লি ও পঞ্জাবের সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, তা পরে বিবেচনা করা হবে। তবে তিনি পশ্চিমবঙ্গের নাম এখানে করেননি।












Click it and Unblock the Notifications