এখনও থমথমে লাদাখ, দ্বাদশ সামরিক বৈঠকে বসছে ভারত-চিন! আদৌও কি ফিরবে স্থিতাবস্থা?
এখনও থমথমে লাদাখ, দ্বাদশ সামরিক বৈঠকে বসছে ভারত-চিন! আদৌও কি ফিরবে স্থিতাবস্থা?
গত কয়েক মসে সাময়িক ভাবে স্থিতাবস্থা ফিরলেও কিছুতেই নিজেদের আগ্রাসী মনোভাব থেকে ফিরে আসতে পারেনি চিন। এখনও পূর্ব লাদাখের বেশি কিছু পয়েন্টে পদচিহ্ন দেখা যাচ্ছে লালফৌজের। গালওয়ান সংঘর্ষের পর একাধিক দফায় কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ের বৈঠকেও মেলেনি রফাসূত্র।এতাবস্থায় শনিবার ফের বৈঠকে বসতে চলেছে চিন-ভারত।

কার্গিল দিবসের কারণে পিছোয় বৈঠক
সূত্রের খবর, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পাশেই একটি এলাকায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। পূর্ব লাদাখের সীমান্তে তপ্ত পরিস্থিতির সমাধান খুঁজতেই এই বৈঠকে বসছে দুই দেশ। এদিকে এর আগে ২৬ জুলাই এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু কার্গিল বিজয় দিবসের কারনে ভারতের তরফে ওই দিন পিছানো হয়। অবশেষে শনিবারই বসছে বহু প্রতীক্ষিত ভারত-চিনের এই দ্বাদশ সামরিক বৈঠক।

এখন থমথমে গালওয়ান
অন্যদিকে বৈঠক ঘিরে উত্তেজনা রয়েছে দু-দেশের মধ্যেই। সূত্রের খবর, পূর্ব লাদাখের হট স্প্রিং, গোগরা ইত্যাদি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা করতে পারে দুই দেশ। এমনকী সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারে রাজি হয়েও চিন কেন কথার খেলাপ করছে সেই প্রশ্নও করতে পারে ভারত। এদিকে লাদাখ সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে কার্যত রণংদেহী মেজাজে রয়েছে দুই দেশের সেনায়।

পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি উত্তেজনা
এমতাবস্থায় সম্পূর্ণভাবে স্থিতাবস্থা না ফিরলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও কূটনৈতিক সম্পর্কেও যে ছাপ পড়ছে তা ভালোই বুঝতে পারছে সকলে। এমনকী গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকেই চিন ভারত বাণিজ্যও বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। আর এই সঙ্কটের কথা ভেবেই স্থিতাবস্থা ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে দুই দেশই। যদিও দশম বৈঠকের পর থেকেই লাদাখের পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু এখনও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি পুরো এলাকায়।

আন্তর্জাতিক পরিসরে তৈরি হচ্ছে চাপ
এদিকে এর আগে প্রায় সিংহভাগ বৈঠকই হয়েছে পূর্ব লাদখের চুশুল বর্ডার পয়েন্টে। কিন্তু প্রতিক্ষেত্রেই নিট ফল যে শূন্য তা বৈঠকের নির্যাস থেকেই বোঝা যায়। কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে থাকে অষ্টম দফার বৈঠকের পর থেকই। আন্তর্জাতিক স্তরে চাপের মুখে পড়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার উত্তপ্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বর্তমানে দুই পক্ষের আগ্রহই আগের থেকে অনেকটা বাড়ে, এমটাই ধারণা কূটনৈতিক মহলের। এদিকে কয়েকদিন আগেই ভারত সফরে এসে লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে খানিক উদ্বেগ প্রকাশ করত দেখা যায় মার্কিন বিদেশ সচিবকেও।












Click it and Unblock the Notifications