২০২২-এর ইউপির নির্বাচনে ফ্যাক্টর ১০-১৫ শতাংশ ব্রাহ্মণ ভোট
২০২২-এর ইউপির নির্বাচনে ফ্যাক্টর ১০-১৫ শতাংশ ব্রাহ্মণ ভোট
উত্তরপ্রদেশ এখনও জাতপাত ভিত্তিক ভোটের জন্য পরিচিত৷ সময় আগের চেয়ে অনেকটা বদলালেও এই জাতি ভিত্তিক ভোট ব্যঙ্ক এখনও অনেকাংশেই প্রভাবিত করে উইপির নির্বাচনের ফলকে। আর রাজ্যটির সবচেয়ে বড় ট্রানিং পয়েন্ট 'ব্রাহ্মণ ভোট'। যাদব, রাজপুত ও দলিত এই তিন শ্রেণির ভোটব্যাঙ্ক মোটামুটিভাবে নিজেদের নেতা নির্বাচন স্থির করে ফলে ভোটের অনেক আগেই৷ কিন্তু বড় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের কাছেও রহস্য থেকে যায় উত্তরপ্রদেশের ব্রাহ্মণ ভোট।

উঁচু জাতের বিরোধিতা করে ক্ষমতায় এসেও ব্রাহ্মণ ভোট পেয়েছিলেন মায়াবতী
২০০৭ এ সালে অনেকেই ভেবেছিল মায়াবতী হয়ত ক্ষমতায় আসবেন না৷ যে দলটির শুরুর স্লোগান ছিল, 'তিলক তরজু অর তলোয়ার ইনকো মারো জুতে চার।' সেই দলটিরই ব্রাহ্মণদের ভোট পকেটস্থ করা দেখে চমকে গিয়েছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও! অবশ্য সময়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণ ভোটের গুরুত্ব বুঝে নিজের স্লোগানও পাল্টে নিয়েছিলেন বসপা নেত্রী। ২০০৭-এ মায়াবতীর নির্বাচনী স্লোগানের একটি বড় প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিল ব্রাহ্মণদের মধ্যে, 'হাতি নহি গনেশ হ্যায়, ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ হ্যায়।'

মুলায়মের ব্রাহ্মণ পরামর্শদাতা
মূলত যাদব ভোট এবং দলিত-মুসলিম ঐক্যের বার্তা দিয়ে বারবার ইউপির ক্ষমতা দখল করেছেন মুলায়ম অ্যান্ড কোং। কিন্তু তিনিও আজীবন নিজের প্রধান পরামর্শদাতাদের মধ্যে একজন জনপ্রিয় ব্রাহ্মণ নেতাকে রাখতেন। এই জ্ঞানেশ্বর মিশ্রা মুলায়মের অনেক দাবার চাল বদলে দলকে জিতিয়ে এনেছেন বলেও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন৷

কংগ্রেসের আমলে ব্রাহ্মদের স্বর্নযুগ
এনডি তিওয়ারি, কমলাপতি ত্রিপাঠি, এইচ জি বহুগুণা, উমাশঙ্কর দিক্ষিতের মতো ব্রাহ্মণ নেতার হাতে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস লালিত-পালিত হয়েছে। ক্ষমতায় থেকেছে বহু বছর৷ এই সময় উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে ব্রাহ্মণদের প্রভাব একেবারে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছিল৷ এরপর যেটা আস্তে আস্তে কমে৷ এখনও পর্যন্ত আর একটা দ্বিতীয় এনডি তিওয়ারি পায়নি উত্তরপ্রদেশ।
তবে এবারেও শেষ মুহূর্তে উইপির নির্বাচনের গতি বাড়ানো বা কমানোর অনুঘটক হতে পারেন ১২ থেকে ১৫ শতাংশ ব্রাহ্মণ ভোট৷ এরকমটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications