পলাতকদের দেশে ফেরাতে বিদেশি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে, ললিত মোদি ও বিজয় মাল্য ভিডিও প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রক
ললিত মোদি ও বিজয় মাল্য ভিডিও ঘিরে ফের সক্রিয় বিদেশ মন্ত্রক, বিদেশের মাটিতে একান্ত পার্টির আমেজ, আর সেই ভিডিও ঘিরে দেশে নতুন করে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ললিত মোদি ও পলাতক শিল্পপতি বিজয় মাল্যর একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ফের মুখ খুলল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (এমইএ)। স্পষ্ট বার্তা অর্থনৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত পলাতকদের দেশে ফেরাতে সরকার বদ্ধপরিকর।
সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, যাঁরা ভারতের আইনের আওতায় অভিযুক্ত ও দেশ ছেড়ে পালিয়ে রয়েছেন, তাঁদের প্রত্যর্পণের প্রশ্নে সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একাধিক দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়, "অর্থনৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত পলাতকদের দেশে ফেরাতে আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একাধিক সরকারের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে ও আমাদের উদ্যোগ চলমান।"
এই মন্তব্য সামনে আসে এমন এক সময়ে, যখন ললিত মোদির ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিও ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিদেশে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির ললিত মোদি ও বিজয় মাল্য। সেখানে ললিত মোদি মজা করে নিজেকে ও মাল্যকে "ভারতের সবচেয়ে বড় দুই পলাতক" বলে পরিচয় করান। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তোলে।
ভিডিওটির ক্যাপশনে ললিত মোদি লেখেন, "চলো, ভারতে আবার ইন্টারনেট ভেঙে দিই। শুভ জন্মদিন বন্ধু #বিজয় মাল্য।" জানা গেছে, এটি ছিল বিজয় মাল্যর ৭০তম জন্মদিনের অনুষ্ঠান, যার আয়োজন করেছিলেন ললিত মোদি নিজেই। এর আগেও এক্স হ্যাণ্ডেল প্ল্যাটফর্মে এই অনুষ্ঠানের কিছু দৃশ্য ভাগ করে নিয়ে তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বন্ধু ও পরিবার একত্রিত হয়েছিলেন এই উপলক্ষে। বিদেশে তাঁদের একসঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়া নতুন কিছু নয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২ মার্চ কিংফিশার এয়ারলাইন্স ধসের পর দেশ ছাড়েন বিজয় মাল্য। ৯ হাজার কোটিরও বেশি টাকার ব্যাঙ্ক ঋণ খেলাপের মামলায় তিনি ভারতে ওয়ান্টেড ও ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাঁকে 'ফিউজিটিভ ইকনমিক অফেন্ডার' ঘোষণা করা হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সিবিআই এবং সেবির মতো একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তাঁর সংস্থা ইউনাইটেড ব্রুয়ারিজ (হোল্ডিংস) লিমিটেড.সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, ২০১০ সালে অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগের মুখে ভারত ছাড়েন প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদি। পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে ইডি মানি লন্ডারিংয়ের মামলা দায়ের করে ও ২০১৫ সালে মুম্বইয়ের একটি বিশেষ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
বিদেশে বসে উৎসবের ছবি যতই ভাইরাল হোক, দিল্লির বার্তা স্পষ্ট আইনের হাত এড়িয়ে থাকা অভিযুক্তদের দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক চাপ ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications