র্যাগিং-এর অভিযুক্তদের এমনই শাস্তির বিধান দিল কানপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ
র্যাগিং-এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল কানপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। ২২ অভিযুক্ত ছাত্রকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে।
র্যাগিং-এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল কানপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। ২২ অভিযুক্ত ছাত্রকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে। র্যাগিং নিয়ে প্রথমবর্ষের ছাত্রদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে নয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল কানপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ।

স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্ররা র্যাগিং-এর অভিযোগ করছিল। ঘটনাটি ঘটে অগাস্ট মাসের ১৯ ও ২০ তারিখ। নতুন ছাত্রদের নানা ভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সিনিয়র ছাত্রদের বিরুদ্ধে উলঙ্গ করে দেওয়ারও অভিযোগ করছিলেন স্নাতকস্তরের কয়েকজন ছাত্র। একইসঙ্গে মানসিক নির্যাতনেরও অভিযোগ ওঠে। সূত্রের খবর, র্যাগিং-এর অভিযোগের তদন্তে গঠিত কমিটি যৌন নির্যাতনেরও অভিযোগেরও প্রমাণ পেয়েছেন।
অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পরেই অভিযুক্ত ছাত্রদের হস্টেল ছেড়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে কানপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। যতক্ষণ না তাঁদের বক্তব্য নিতে ডাকা হচ্ছে ততক্ষণ অভিযুক্তদের ক্যাম্পাসে ঢোকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিযুক্ত ২২ ছাত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কানপুর আইআইটির ডেপুটি ডিরেক্টর অধ্যাপক মনীন্দ্র আগরওয়াল। বৃহস্পতিবার সেনেটের বৈঠকে সিনিয়র ছাত্রদের কিছু সময়ের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি ডিরেক্টর। র্যাগিং-এর তদন্তে গঠিত কমিটি অভিযুক্ত ২২ ছাত্রের বয়ান রেকর্ড করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পুরো তদন্ত শেষের পর রিপোর্ট জমা হলেই, অভিযুক্তদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। দিন জানা না গেলেও, সেনেটের পরবর্তী বৈঠকেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রদের হস্টেল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে এবং ক্যাম্পাস ছাড়তেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কানপুর আইআইটির ডেপুটি ডিরেক্টর।
তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও, কমিটির সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক চলে বেশ কয়েক ঘণ্টা। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন আইআইটি কানপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক ইন্দ্রনীল মান্না। সেনেটের অপর এক সদস্য জানিয়েছেন, নবাগত ছাত্রদের ওপর র্যাগিং-এর অভিযোগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তদন্তকারী দলে চার ফ্যাকাল্টি এবং পাঁচ ছাত্র ছিল। রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ছাত্রদের টার্মিনেট করার সুপারিশ করে কমিটি। যদিও সেই সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পুজোর ছুটি শেষ হলেই অভিযুক্তদের তলব করে বক্তব্য রেকর্ড করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications