I-PAC অভিযান নিয়ে দিল্লিতে ধুন্ধুমার! শাহের দফতরের সামনে বিক্ষোভ, আটক মহুয়া সহ বাকিরা, দেখুন
আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসে ইডি তল্লাশি ঘিরে প্রতিবাদ এবার কলকাতা ছাড়িয়ে দিল্লিতে গিয়ে পৌঁছল। আজ সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের সামনে বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের আট জন সাংসদ। সকাল আটটার কিছুক্ষন পর থেকেই শুরু হয়ে যায় এই প্রতিবাদ। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ধর্না চলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়, গোটা এলাকা জুড়ে ছড়ায় উত্তেজনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন যে, ধর্না চলাকালীন সাংসদ শতাব্দী রায় এবং প্রতিমা মণ্ডলকে টেনে নিয়ে যায় পুলিশ। বাপি হালদারকে প্রায় কাঁধে তুলে সরানো হয়। সাকেত গোখলেকেও জোর করে ভ্যানে তোলা হয়। তারপরে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় পুলিশের উদ্দেশ্যে ডেরেক ও'ব্রায়েনকে বলতে শোনা যায়, "আমাদের সাংসদদের গায়ে হাত দেবেন না।"
এই ঘটনার পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে কড়া বার্তা দেন। তিনি লেখেন যে, "গণতন্ত্রকে দমন করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।" তাঁর দাবি, "অন্য রাজ্য মাথা নত করলেও পশ্চিমবঙ্গ এই লড়াই চালিয়ে যাবে।"
উল্লেখ্য, আইপ্যাকের দফতরে ইডি অভিযানের প্রতিবাদে গতকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল পথে নামে। জানা গিয়েছে যে, আজ স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কর্মসূচিতে নামবেন। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যখন সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে ছিলেন, তখনই হাজরা মোড়ে স্থানীয় নেতৃত্ব প্রতিবাদ শুরু করে। পরে দলীয়ভাবে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।
ডেরেক ও'ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, বাপি হালদার, সাকেত গোখলে, কীর্তি আজাদ, শর্মিলা সরকার এবং প্রতিমা মণ্ডল, এই আট জন তৃণমূল সাংসদ দিল্লির বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই কেন্দ্রীয় সংস্থা ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক কৌশল হাতানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications