বিদেশে থাকলে লাইফ সার্টিফিকেট জমা কীভাবে? কেন্দ্রের নতুন নিয়মে কি মিলল স্বস্তি? জানুন
ভারতে আসা বাধ্যতামূলক নয়, দূতাবাসের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে শনাক্তকরণ। প্রবাসে বসবাসকারী পেনশনভোগী ও পরিবার পেনশনভোগীদের জন্য বার্ষিক লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশে ফিরে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হয়েও এখন তারা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁদের পেনশন চালিয়ে যেতে পারবেন,এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় কর্মী ও পেনশন মন্ত্রকের ডিপার্টমেন্ট অফ পেনশন অ্যান্ড পেনশনার্স' ওয়েলফেয়ার।
প্রতি বছর নভেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনভোগীদের লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক, যাতে তাঁদের পেনশন চালু থাকে। বিদেশে বসবাসকারীদের সুবিধার্থে নতুনভাবে বিভিন্ন বিকল্প পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে সরকার।

ব্যাংকের মাধ্যমে জীবন সনদ যাচাই বিদেশে থাকা যে কোনও পেনশনভোগী যদি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, ১৯৩৪-এর সেকেন্ড সিডিউলে তালিকাভুক্ত কোনও ব্যাংকের মাধ্যমে পেনশন পান, তবে ওই ব্যাংকের নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক তাঁর জীবন সনদে স্বাক্ষর করতে পারেন। এই সনদ জমা দিলেই ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির প্রয়োজন থাকে না।
ম্যাজিস্ট্রেট, নোটারি বা ব্যাঙ্কারের স্বাক্ষরেও গ্রহণযোগ্য
ভারতের বাইরে বসবাসকারী পেনশনভোগীর অনুমোদিত প্রতিনিধি ম্যাজিস্ট্রেট, নোটারি, ব্যাংকার বা ভারতের কোনও কূটনৈতিক প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত জীবন সনদ পেশ করলেও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে ছাড় পাওয়া যাবে।
দূতাবাসেই মিলবে সমাধান
যেসব এনআরআই পেনশনভোগী বা পরিবার পেনশনভোগী ব্যক্তিগতভাবে ভারতে এসে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন না, তাঁদের জন্য বিশেষ সুবিধা রেখেছে সরকার। সংশ্লিষ্ট দেশের ভারতীয় দূতাবাস, হাই কমিশন বা কনসুলেটের অনুমোদিত কর্মকর্তা
পেনশন পেমেন্ট অর্ডারে সংযুক্ত ছবি, অথবা পাসপোর্টে থাকা ছবি, কিংবা সমতুল্য নথি যাচাই করে জারি করতে পারবেন লাইফ সার্টিফিকেট।
দূতাবাসে যাওয়া অসম্ভব হলে ডাকযোগেও সম্ভব প্রক্রিয়া
যদি কোনও কারণে পেনশনভোগীর পক্ষে দূতাবাসে যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে ডাকযোগে সমস্ত নথি পাঠাতে হবে। সঙ্গে জমা দিতে হবে চিকিৎসকের সনদ, যাতে উল্লেখ থাকবে কেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে পারছেন না। দূতাবাস বা কনসুলেট লাইফ সার্টিফিকেট জমা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সরাসরি সহায়তাও করবে।
লাইফ সার্টিফিকেটের প্রমাণ পত্র একটি বায়োমেট্রিক ভিত্তিক নথি, যা ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয় ভাবেই তৈরি করা যায়। এই সনদ নিশ্চিত করে যে পেনশনভোগী এখনও জীবিত আছেন ও পেনশনের অর্থ প্রকৃত ব্যক্তির কাছেই পৌঁছচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications