গ্রেফতার কাসৌলি হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত সেই হোটেল মালিক! জানুন পরিচয় গোপনে কী করল সে
সোলান পুলিশ মঙ্গলবার হিমাচলপ্রদেশের কাসৌলিতে নগর পরিকল্পককে খুনের দায়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক বিজয় সিং ঠাকুরকে গ্রেফতার করেছে। উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
সোলান পুলিশ মঙ্গলবার হিমাচলপ্রদেশের কাসৌলিতে নগর পরিকল্পককে খুনের দায়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক বিজয় সিং ঠাকুরকে গ্রেফতার করেছে। উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পরই সে গা ঢাকা দিয়েছিল।

সূত্র মতে, পরিচয় গোপন করার জন্য বিজয় চুলে নতুন ছাঁট দিয়েছিল এবং গোঁফ কেটে ফেলেছিল। গতকাল, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছিলেন, খুনের পর বিজয় পাশের জঙ্গলে পালিয়েছে। সেই মতো জঙ্গলে তল্লশি চালাচ্ছিল পুলিশ।
খুনের পর থেকে বিজয়ের মোবাইল ফোন সুইচড অফ ছিল। কিন্তু পরে ফোনটি খুলে কয়েকটি কল করে সে। তাতেই তার অবস্থান জানতে পারে পুলিশ। দেখা যায় উত্তর প্রদেশের মথুরার কাছে রয়েছে ফোনটি। সেই ফোনের লোকেশন ধরে এগিয়েই তাকে গ্রেফতার করে হয়।
সিমলায় বেআইনিভাবে নির্মিত হোটেল ও গেস্টহাউসের ওপর দীর্ঘদিন ধরেই নজর রেখেছে প্রশাসন। গত ১৭ এপ্রিল কাসৌলির সব বেআইনিভাবে নির্মিত হোটেল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতোই নগর পরিকল্পক শৈলবালা শর্মার নেতৃত্বে পিডব্ল্যুডি গিয়েছিল মান্ডো মাটকান্ডার নারায়ণী গেস্টহাউসে। কারণ সেখানেও অবৈধ নির্মাণ ছিল। গেস্টহাউসের মালিক বিজয় সিং (৫৪) এবং তার মা নারায়য়ী দেবী (৭০) শৈলবালার সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন এবং অভিযোগ তাদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তা সত্ত্বেও যখন দলটি অবৈধ কাঠামো ভাঙা শুরু করে তখনই বিজয় সিং একটি আগ্নেয়াস্ত্র থেকে পর পর তিন রাউন্ড গুলি ছোরেন নগর পরিকল্পক শৈলবালাকে লক্ষ্য করে। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন শৈলবালা। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হন পিডব্ল্য়ুডি-র আরেক অফিসার গুলশান সিংহ।
সুপ্রীম কোর্টের এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। হিমাচল প্রদেশ সরকারের সমালোচনা করে তারা বলেছে, আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের সরকার কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার হয়েছে। বৃহস্পতিবারই, রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো আদালতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করেছে।












Click it and Unblock the Notifications