ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের গান শুনলে পালায় জংলী পশুরাও! বিশ্বাস না হয় উত্তরাখণ্ডের কৃষকদেরই জিজ্ঞাসা করুন!
ইয়ারকি নয়! সত্যি... বিশ্বাস করুন!
ফসলকে জংলী পশুদের হাত থেকে রক্ষা করতে উত্তরাখণ্ডের কৃষকদের এখন একমাত্র হাতিয়ার ইয়ো ইয়ো হানি সিংয়ের গান। আজ্ঞে হ্যাঁ। জংলী পশুদের তাড়াতে হলেই লাউডস্পিকারে হানি সিংয়ের গান চালিয়ে দেন এখানকার কৃষকরা। ব্যস, হানি সিংয়ের গান শুনেই পিঠ দেখিয়ে পালিয়ে যায় তাবড় তাবড় জংলী পশুরা।[(ছবি) বলিউডের সেরা ১৫ কুরুচিপূর্ণ অশ্লীল গান!]
এই ঘটনার সূত্রপাত কয়েক মাস আগে থেকে। উত্তরাখণ্ডের কৃষি জমিতে জংলী পশুরা ঢুকে ফসল তছনছ করে দিত। ফসলের ক্ষতির পরিমাণ এতই বাড়তে লাগল যে একটা সময়ের পর সরকার বাধ্য হয়ে এই সব জংলী প্রাণী হত্যার নির্দেশ দিয়ে দিল। [(ছবি) যে বলিউড তারকারা সিনেমায় গান গেয়েও নজরে পড়েননি]

কিন্তু এই পশুগুলি হিংস্র, শক্তিশালী। একজন কৃষক কীকরে এসব পশুর শিকার করবে। তাই বিকল্প সমাধানের পথ খুঁজতে লাগলেন তারা। কী করে তাড়ানো যায় এই সব জংলী প্রাণীগুলিকে? অগত্যা লাউডস্পিকারে জোর শব্দ চালিয়ে পশু তাড়ানোর পথই ঠিক হল।
গুরুগম্ভীর শব্দ বা কোনও হিংস্র প্রাণীর গর্জনের আওয়াজ লাউডস্পিকারে চালিয়ে পশু তাড়ানোর ঘটনা গ্রামাঞ্চলে নতুন নয়। তা বলে হিংস্র প্রাণী তাড়াতে একেবারে পার্টি সং, তায় আবার পাঞ্জাবি ডিস্কো গান। এমন ঘটনা কিন্তু কস্মিনকালেও শোনা যায়নি। [ভাইরাল ভিডিও : বিহারে নর্তকীর সঙ্গে সংযুক্ত জনতা দল প্রার্থীর অশ্লীল নাচ]
টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বিষান জন্টওয়াল নামের নৈনিতালের ধারি গ্রামের এক কৃষককে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, "বাড়ির বড়দের কাছ থেকে শুনেছি যেখানে মানুষের বসবাস সেই সব জায়গা বন্য প্রাণীরা এড়িয়ে চলে। তাই আমি ভাবলাম মানুষের অস্তিত্ব বোঝাতে গান চালানোটা একটা উপায় হতে পারে। করে দেখলাম বুদ্ধিটা খেটেও গেল।"
"শিয়াল, নেকড়ে, নিলগাই প্রভৃতি হিংস্র জন্তু তাড়াতে আমরা এমন গান বাজাতে চাইছিলাম যার আওয়ার হবে জোরে, সুর চড়া হবে। হানি সিংয়ের গানগুলি ঠিক সেই রকমেরই।" বললেন বিষান।
বিষানের বুদ্ধি নিয়ে আশপাশের গ্রামেও এখম একই পদ্ধতি হিংস্র প্রাণী তাড়ানো চলছে। ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications