Gujarat: আগে ১৭ বছরেই মা হতো মেয়েরা, ধর্ষিতার গর্ভপাত মামলায় পর্যবেক্ষণ গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতির
সাত মাসের অন্তঃসত্তা ধর্ষিতা কিশোরী। তাঁর গর্ভপাতের মামলা চলছে গুজরাত হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে ধর্ষিতার আইনজীবীকে মনুসংহিতা পড়ার কথা বললেন বিচারপতি। বিচাপতি দাভে বলেছেন, সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাস সম্ভব কিনা সেটা আদালতের পক্ষে বিচার করা সম্ভব নয়।
এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। কারণ সাত মাসে অনেক শিশুই ভূমিষ্ঠ হওয়ার মত সত্ত্বায় চলে আসে। তাদের ইনকিউবেটরে রাখা হয়। এক্ষেত্রে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের নির্দেশ দিলে কিশোরীর প্রাণসংশয় হতে পারে। সেকারণে এই নিয়ে নির্দেশ দিতে পারে না আদালত।

এই মামলায় আগেই আদালত রাজকোট হাসপাতালের চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছিল কিশোরের অবস্থা খতিয়ে দেখার জন্য। শারীরিক ভাবে সে কতটা সুস্থ রয়েছে এবং তাঁর গর্ভস্থ শিশুর অবস্থা কেমন সেটা জানাও জরুরি। সেকারণে আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সাত মাসের অন্থঃসস্ত্বার গর্ভপাত করা সম্ভব কিনা সেটা চিকিৎসকরাই একমাত্র পরীক্ষা করে বলতে পারবেন বলে জানিয়েছে আদালত। শুনানির সময় বিচারপতি দাবে বলেন, আগে মা ঠাকুমাদের সময়ে ১৫-১৪ বছরে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যেত। এবং ১৭ বছর বয়সের মধ্যে তারা মা হয়ে যেতেন।
বিচারপতি দাবে আরও বলেছেন মেয়েরা অনেক তাড়াতাড়ি বড়ো হয়ে যায় ছেেলদের থেকে। চার-পাঁচ মাসের ফারাকে তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না। সেকারণে আইনজীবীকে মনুসংহিতা পড়ার পরামর্শ দিয়েেছন তিনি। সেটা পড়তেই তিনি বুঝতে পারবেন আগেকার দিনে কত তাড়াতাড়ি মেয়েরা মা হতেন।












Click it and Unblock the Notifications