চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎকে প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড় করাল মোদী প্রশাসন, জানুন বিস্তারিত
লকডাউন ৪.০ শুরু হওয়ার দিনেই দেশের চাকরিজীবী আমজনতার ভবিষ্যৎকে প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড় করাল মোদী প্রশাসন। লকডাউনে কর্মীদের বেতন কাটলেও মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। গত সপ্তাহেই কেন্দ্রকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার কেন্দ্র নিজেই পিছিয়ে এল।

লকডাউনের জেরে এমনিতেই সমস্যায় মধ্যবিত্ত
লকডাউনের জেরে এমনিতেই চরম সমস্যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত বেসরকারি চাকুরেরা। এরই মধ্যে এখন থেকে মালিকপক্ষ আর কর্মীদের পুরো বেতন দিতে বাধ্য নয়। কর্মীদের পুরো বেতন দেওয়ার যে নির্দেশ বেসরকারি সংস্থাগুলিকে দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
লকডাউন পর্বে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে কর্মীদের পুরো বেতনই দিতে হবে, না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে গত ২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে নির্দেশ জারি করেছিল, ১৭ মে তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে, কর্মীদের বেতন কমানো বা প্রয়োজনে তাদের ছাঁটাই করায় আর কোনও বাধা রইল না বেসরকারি সংস্থাগুলির সামনে।

মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিমকোর্টে
২৯ মার্চের নির্দেশিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন একাধিক সংস্থা কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি ছিল, সরকারের এই নির্দেশ সংস্থাগুলির উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া করের সমতুল। অথচ, ওই কর চাপানোর কোনও আইনি ভিত্তি নেই।

মামলাকারীদের অভিযোগ
মামলাকারীদের অভিযোগ, শিল্প সংস্থাগুলির উপর কতটা আর্থিক প্রভাব পড়বে তা বিবেচনা ও আলোচনা না করেই কেন্দ্রীয় সরকার ওই নির্দেশ জারি করেছে এবং এই নির্দেশ মানতে হলে বহু সংস্থা ঝাঁপ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। এ সবের মাঝেই অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম সুইগির তরফে সোমবার জানিয়ে দেওয়া হয়, লকডাউনের জন্য ব্যবসায়িক মন্দার কারণে ১,১০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications