মহাকুম্ভ মেলায় যাচ্ছেন? রাস্তার হাল জানেন তো? ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট রয়েছে
মহাকুম্ভ মেলা শেষ হাতে আর হাতে গোনা ১৬টা দিন বাকি। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে এই বিশাল আধ্যাত্মিক উৎসব। ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশ সরকার জানাচ্ছে, যে ৪২ কোটিরও বেশি ভক্ত সঙ্গম ঘাটে পবিত্র স্নান সেরে নিয়েছেন। কিন্তু তারপরও লাখো লাখো ভক্ত ভিড় করে আসছেন মহান মিলন ক্ষেত্রে।
এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় অংশ নিতে যাওয়া লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী নজিরবিহীন যানজটে আটকা পড়লেন। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এই বিশাল যানজট সড়কগুলোকে একপ্রকার পার্কিং লটে পরিণত করেছে। অনেকেই এই যানজটকে "বিশ্বের বৃহত্তম ট্র্যাফিক জ্যাম" বলে উল্লেখ করছেন।

যা জানা যাচ্ছে, ৫০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে ১০-১২ ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। যানবাহন ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অচল ছিল। পুলিশের বাধ্যতামূলক যানবাহন থামানো আরও সমস্যা বাড়িয়েছে।
- পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ?
এই প্রবল যানজটের প্রভাব পড়েছে কাটনি, জবলপুর, মাইহার, রেওয়া জেলায়। মূল যানজটের এলাকা - রেওয়া-প্রয়াগরাজ রুট। রবিবার রাতের মধ্যে যানজট এতটাই বেড়ে যায় যে মধ্যপ্রদেশ পুলিশের গাড়ি মাইকিং করে লোকজনকে ফিরে যেতে বলে। এর জন্যেই কাটনিতে পুলিশ ঘোষণা করেছে সোমবার পর্যন্ত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ।
- তীর্থযাত্রীদের দুর্ভোগ
এই প্রবল যানজটের জেরে ভয়ঙ্কর সমস্যায় পড়েছেন তীর্থযাত্রীরা। এক তীর্থযাত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, "গত ৩ ঘণ্টা ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া নেই"।
রাস্তায় আটকে পড়া তীর্থযাত্রীদের জন্য খাবার, পানীয় জল ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্যে। বাড়তি ভিড় সামলাতে প্রয়াগরাজ সঙ্গম রেলওয়ে স্টেশন ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
- সরকারের ভূমিকা ও সমালোচনা
উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, রবিবারই ৮৪.২৯ মিলিয়ন ভক্ত পবিত্র স্নান সেরেছেন। মহাকুম্ভে এখন পর্যন্ত ৪২ কোটিরও বেশি ভক্ত অংশ নিয়েছেন। তবে বিরোধীরা এই সবের জন্যে যোগী সরকারকে আক্রমণও করেছেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই প্রসঙ্গে বলেছেন, 'যোগী আদিত্যনাথ সরকার ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হয়েছে'। টোল ফ্রি রাস্তা খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাতে যানজট কমবে বলেই মনে করছেন অখিলেশ।
অন্যদিকে, অনেকেই মনে করছেন,
১) বিকল্প রুটের ব্যবস্থা করা দরকার।
২) পুলিশের আরও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।
৩) ট্রেন ও জলপথ ব্যবহার বাড়ানো দরকার।
৪) তীর্থযাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামকেন্দ্র ও খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।
তবে যোগী সরকার কতোটা কি ব্যবস্থা করে, এখন সেটাই দেখার।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications