সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ ও তাঁর ভাই আশরাফের
এনকাউন্টারে ছেলে আসাদের মৃত্যু হয়েছিল ১৩ এপ্রিল। ঠিক দুদিনের মধ্যে প্রয়াগরাজে গুলিতে মৃত্যু হল গ্যাংস্টার বাবা আতিক আহমেদের। সঙ্গে আতিফের ভাই আশরাফ আহমেদেরও মৃত্যু হয়েছে। এদিন প্রয়াগরাজে ডাক্তারি পরীক্ষা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপরে হামলা হয়। গুলিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই ভাইয়ের।
প্রয়াগরাজে পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে যাচ্ছিল দুই ভাই। সামনে সাংবাদিকরা। আশপাশে পুলিশ ছিল। সেইসময় হামলা হয়। অতিক আহমেদের মাথার গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলে মারা যায় এই গ্যাংস্টার। পুলিশ হামলাকারীদর আটক করে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ ও মিডিয়ার সামনে গুলি চালনার এই ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

হামলাকারীরা দু থকে তিনজন ছিল বলে পুলিশের দাবি। একটি সূত্রের দাবি পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতার করেছে। দুজনকে হত্যার পরে হামলাকারীরা জয় শ্রী রাম স্লোগানও দেয় বলে জানা গিয়েছে। খুব কাছ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের পরে গুলির খোল ও গুলি উদ্ঝার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের এখনও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়নি।
হামলাকারীদের গুলিতে কাম সিং নামে এক কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এই ঘটনার পরে রাজ্য জুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন। একটি সূত্র থেকে বলা হচ্ছে এই ঘটনায়. ক্ষুব্ধ যোগী আদিত্যনাথ রাজ্য পুলিশের থেকে রিপোর্ট তলব করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে বৃহসপতিবার ঝাঁসিতে পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারের মারা যায় আতিক আহমেদের ছেলে আসাদ। সঙ্গী গোলামেরও মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। গত প্রায় দেড়মাস ধরে এসটিএফ আসাদ ও গোলামকে খুঁজছিল বলে জানা গিয়েছে। ডিএসপি নভেন্দু এবং এসটিএফএ-র ডিএসপি বিমলের নেতৃত্বে এই এনকাউন্টারটি হয়।
আসাদকে জীবিত ধরার পুরস্কার ছিল পাঁচ লক্ষ টাকা। আসাদ ও গোলামের কাছ থেকে রিভারবার এবং পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications