স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে মোদীর মুখে আরজি করের ঘটনা, ঠিক কী বললেন প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, সেখানেই মোদীর মুখে উঠে এল আরজি করে মহিলা পিজি চিকিৎসকের বর্বর হত্যাকাণ্ডের কথা। প্রধানয়মন্ত্রী বলেন, আমাদের নারীদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচার হচ্ছে তা গুরুত্ব সহকারের ভাবতে হবে।
নির্দিষ্ট করে আরজি করের নাম উল্লেখ না করলেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এই ঘটনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এই ক্ষোভ অনুভব করতে পারেন। দেশ, সমাজ, রাজ্য সরকারগুলিকে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের দ্রুত তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি যারা এই নৃশংস কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তাদের দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

লালকেল্লা থেকে মোদীর মুখে আরজি কর প্রসঙ্গ
লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, যখন মহিলাদের ওপর ধর্ষণ ও অত্যাচারের ঘটনা ঘটে, তখন তা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। কিন্তু যখন এমন দানবীয় প্রবণতাকে শাস্তি দেওয়া হয়, তখন তা খবরে দেখা যায় না, একটি কোণায় সীমাবদ্ধ থেকে যায়। তিনি আরও লেন, যারা শাস্তি পাচ্ছে তাদের নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা হোক, যাতে যারা এই পাপ করে তারা বুঝতে পারে যে এই ঘটনা ফাঁসির দিকে নিয়ে যায়, এই ভয় জাগানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
#WATCH | PM Narendra Modi says, "...I would like to express my pain once again, from the Red Fort today. As a society, we will have to think seriously about the atrocities against women that are happening - there is outrage against this in the country. I can feel this outrage.… pic.twitter.com/2gQ53VrsGk
— ANI (@ANI) August 15, 2024
ঠিক কী হয়েছিল
প্রসঙ্গত, গত নয় অগাস্ট শুক্রবার ভোরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের চেস্ট বিভাগের সেমিনার হলে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে কলকাতা পুলিশ প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে। যা নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়। কলকাতা পুলিশ বারো ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাকার অভিযোগে সঞ্জয় রায় নামে কলকাতা পুলিশেরই এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তী সময়ে সেই সেমিনার হলের সামনেই আরেকটি ঘর ভেঙে পুরর্গঠনের কাজ শুরু করা হয়। যা নিয়ে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।
১৪ অগাস্ট রাতে ব্যাপক ভাঙচুর
এরপর ১৪ অগাস্ট গভীর রাতে কলকাতা তথা রাজ্য জুড়ে মহিলারা পথে নামেন। বিভিন্ন জায়গায় হয় প্রতিবাদ। তবে তারই মধ্যে রাত সাড়ে বারোটা থেকে তাণ্ডব চলে আরকি কর হাসপাতালে। জরুরি বিভাগ-সহ একাধিক বিভাগ ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। মেডিসিন স্টোরের হামলা চালিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ওষুধ নষ্ট করা হয়। হামলার সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিককে গুরুতর আহত অবস্থায় এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications