One Nation One Election: 'এক দেশ এক ভোট' বিলের ভবিষ্যৎ কী? ৮ জানুয়ারি প্রথম বৈঠকে যৌথ সংসদীয় কমিটি
One Nation One Election: 'এক দেশ এক ভোট' বিল নিয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি বৈঠকে বসতে চলেছে যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC)। ৩৯ সদস্যের কমিটি খতিয়ে দেখবে ওই বিলের প্রস্তাব। লোকসভা (Lok Sabha) থেকে রয়েছেন ২৭ জন সদস্য ও রাজ্যসভা (Rajya Sabha) থেকে ১২ জন সদস্য রয়েছেন কমিটিতে। 'এক দেশ এক ভোট' সংক্রান্ত দুটি বিল নিয়ে আলোচনায় প্রথমবার বৈঠকে বসতে চলেছে যৌথ সংসদীয় কমিটি।
যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বিজেপি সাংসদ পিপি চৌধুরীকে। মোট ৩৯ জন সদস্যের মধ্যে বিজেপির ১৬ জন, কংগ্রেসের ৫ জন-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যরা রয়েছেন। সারা দেশে একসঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে 'এক দেশ এক ভোট' বিলে। তা নিয়েই প্রথম বৈঠকে প্যানেলের সদস্যদের ব্যাখ্যা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

যৌথ সংসদীয় কমিটিতে থাকা লোকসভা থেকে উল্লেখযোগ্য সদস্যরা হলেন বাঁসুরী স্বরাজ, সিএম রমেশ, পুরষোত্তম রুপালা, অনুরাগ ঠাকুর, বিষ্ণু দয়াল রাম, সম্বিত পাত্র, সঞ্জয় জয়সওয়াল, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মণীশ তিওয়ারি, সুখদেও ভগত, ধর্মেন্দ্র যাদব, কল্যাণ ব্যানার্জি, সুপ্রিয়া সুলে, শ্রীকান্ত একনাথ শিন্ডে, কে রাধাকৃষ্ণাণ, চন্দন চৌহান-সহ অন্যান্যরা। রাজ্যসভার উল্লেখযোগ্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ঘনশ্যাম তিওয়ারি, সঞ্জয় কুমার ঝাঁ, কে লক্ষণ, রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, সাকেত গোখলে, সঞ্জয় সিং-সহ বাকিরা।
'এক দেশ এক ভোট' বিল লোকসভায় পাস করাতে শাসক জোট এনডিএর প্রয়োজন ৩৬২টি ভোট। কিন্তু তাদের কাছে রয়েছে মাত্র ২৯৮ জনের সমর্থন। আবার রাজ্যসভায় এনডিএর দরকার ১৫৮ জন সাংসদ। কিন্তু সেখানেও তাদের মাত্র ১৩৫ জন প্রতিনিধির সমর্থন রয়েছে। সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে ৫০ শতাংশ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ ইন্ডি জোটের সমর্থন ছাড়া বিল পাস সম্ভব নয়। যা বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
লোকসভায় বিলের তীব্র বিরোধিতা করে কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, সিপিএম, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ও শরদ পাওয়ারের এনসিপি। বিলে সমর্থন জানিয়েছে টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিজেডি, এডিএমকে, এলজেপি, বিআরএসের মতো দলগুলি।
তীব্র বাদানুবাদের পর বিল জেপিসিতে পাঠানো নিয়ে সংসদে ইলেকট্রনিক ভোটাভুটি করা হয়। এই প্রথমবার বিল পাসের ক্ষেত্রে ই-ভোটিং করা হল। আর সেখানেই ২৬৯ জন সাংসদ পক্ষে ভোট দেন ও ১৯৮ জন বিপক্ষে ভোট দেন। দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জেপিসি-র অধীনে বিবেচনায় পাঠানো হয় বিল।












Click it and Unblock the Notifications