প্রথম ধসের গ্রামে পৌঁছানো যায়নি! ওয়েনাড়ের ঘটনায় কী বললেন কেরলের রাজ্যপাল?
কেরলের ভূমিধসে মৃত্যু সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। মৃত্যুর সংখ্যা ২৭০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল আগেই। কোথায় গিয়ে মৃত্যুমিছিল শেষ হবে, জানা নেই৷ তার মধ্যেই আরও বড় বার্তা দিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। ভূমিধস যেখানে প্রথম আঘাত করেছে, সেখানে এখনও পৌঁছানোই যায়নি!
কেরলের রাজ্যপাল একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। আর সেখানেই তিনি দুশ্চিন্তার কথা বলেছেন। ভূমিধসের কারণে নদী তার গতিপথ বদল করেছে৷ দুই দিক দিয়ে নদী এখন প্রবাহিত হচ্ছে৷ নদী গতিপথ বদল করে যে গ্রামকে ভাসিয়েছিল, সেখানে মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে৷ ভূমিধসে বিধ্বস্ত প্রথম গ্রামে এখনও পৌঁছানো যায়নি৷

রাজ্যপাল বলেন, সেই গ্রামের দিকে যাওয়ার একটি সেতু ভেসে যায়। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। সেনাবাহিনী একটি ব্রেইলি ব্রিজ তৈরি করার চেষ্টা করছে। সেটি তৈরি হয়ে গেলে ওই জায়গায় পৌঁছানো যেতে পারে৷ সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে মূল্যায়ণ করা সম্ভব নয়। ধসের কবলে যাওয়া প্রথম গ্রামটিতে যেতে হবে।
রাজ্যপাল জোরের সঙ্গে জানিয়েছেন, ধসের ফলে প্রথম যে গ্রামটি ক্ষতিগ্রস্ত, সেটি প্রত্যন্ত এলাকায় নয়। পাহাড়ি এলাকায় একটি শহরের অংশ৷ গ্রামটি একশো বছরের পুরনো।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গতকাল জানিয়েছিলেন, কেরল সরকারকে এই বিষয়ে আগাম সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এই কথা মানতে চাননি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধছে।
রাজ্যপাল এই বিষয়ে কথা বলতে চাননি। "এই সময় মানুষের দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার, রোগীদের, তাদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সময়।" বলেন তিনি। তবে রাজ্যপাল বলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি বলছেন সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। তাহলে আমার সন্দেহ করার কোনও কারণ নেই।"
রাজ্যপাল জানিয়েছেন, ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ পুরোদমে চলছে। ক্যাম্প তৈরি করে সবাইকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে। এটি আরও পরিবর্তন হতে পারে। তাই, যারা এই নতুন নদীর ধারে বসবাস করছেন, তাদেরও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রশংসা করেছেন রাজ্যপাল।
তিনি বলেন, " আমাদের সেনা বাহিনী, নৌ বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর কর্মীরা। তারা ঝুঁকি নিচ্ছেন। দুর্দান্ত কাজ করছেন।"












Click it and Unblock the Notifications