বচসার মাঝেও কথা রাখল টুইটার, কেন্দ্রের কথা মেনে আটকে দিল 'কালী'-র টুইট
দুই পক্ষের মধ্যে চলছে সমস্যা। সেই সমস্যার মাঝেও সরকারের কথা রেখে টুইটার কর্তৃপক্ষ কালী নামক ডকুমেন্টরির পোষ্টারের টুইটটি আটকে দিয়েছে।

টুইটারে সঙ্গে কন্টেন্ট তুলে নেওয়ার বিষয় নিয়ে বিতর্ক চলছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এই বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে টুইটার। এসবের মাঝেই ঘটে গিয়েছে দেবী কালী নিয়ে বিতর্ক। যেখানে দেখানো হয়েছে দেবী সিগারেট পান করছেন। কানাডার চিত্র পরিচালক একটি ডকুমেন্টরি বানিয়েছেন যার নাম 'কালী'। তার এই পোষ্টার নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। পরিচালক ওই ছবি টুইট করেছিলেন। বিষয় নিয়ে যেহেতু বিতর্ক বেড়েই চলেছে তাই ওই টুইট সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে টুইটার কর্তৃপক্ষকে। দুই পক্ষের সমস্যার মধ্যেও টুইটার সরকারের কথা রেখে ওই টুইটটি আটকে দিয়েছে।
জানা গিয়েছে টুইটার তথ্য প্রযুক্তি আইন, ২০০০ এর অধীনে সরকারের একটি অনুরোধে টরন্টো-ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা লীনা মানিমেকালাইয়ের কালী ডকুমেন্টরির পোষ্টার দেওয়া টুইটটি আটকে দিয়েছে।৫ জুলাই টুইটটি আটকে রাখা হয়েছিল, এবং ৬ জুলাই লুমেন ডেটাবেসে রিপোর্ট করা হয়েছিল৷ লুমেন ডেটাবেস সোশ্যাল মাধ্যমে মিডিয়া সংস্থাগুলি সহ ব্যক্তিগত সংস্থাগুলির ডাকে সারা দিয়ে ফের সেটি প্রকাশ করে। পরে তারা সারা বিশ্বের নানা সরকার এবং অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে আইনি টেকডাউন নোটিশ পায়৷ তখন সেটি ফের আটকে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ।
এই ঘটনাটি যখন ঘটছে যখন টুইটার তার কন্টেন্ট ব্লকিং নির্দেশের জন্য ভারত সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেটিকে তারা ক্ষমতার অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহার, স্বেচ্ছাচারীতা বলে মনে করেছে। কর্ণাটক হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনে, টুইটার কন্টেন্ট ব্লকিং নির্দেশের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার অনুরোধ করেছে এবং শেষ পর্যন্ত আদালতকে এই ধরনের নির্দেশ তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
প্রসঙ্গত, মণিমেকলাইয়ের টুইট যা ভারতে আটকে রাখা হয়েছে তা হল একটি সাম্প্রতিক চলচ্চিত্রের পোষ্টার যা আগা খান মিউজিয়ামে ২ জুলাই চালু করা হয়েছিল। টুইটটিতে দেবী কালীর ধূমপানের একটি ছবি রয়েছে। আর তাঁকে ঘিরেই বিপুল সমস্যা দেখা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত সরকারের এই টুইট তুলে নিতে বলার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, কারণ বিগত কয়েক মাসে ধর্ম নিয়ে দেশে বিভিন্ন হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এখনও চলছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা। তাই এবার চটজলদি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টুইটারকে অনুরোধ করে এই টুইট আটকে দেওয়ার জন্য। সেই কথা মেনেছে কর্তৃপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications