এবার নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে লড়াই! 'লক্ষ্য স্থির' রেখে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পিকের
লোকসভা নির্বাচনের পরে সরকার গঠন হয়ে গিয়েছে। এবার বছরের শেষে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন। আর ২০২৫-এর শুরুতে বিহার ও দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রায় সবকটি রাজ্যেই বিজেপির আসন সংখ্যা কমেছে। সেই পরিস্থিতিতে উল্লিখিত রাজ্যগুলির বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই বিজেপির পক্ষে মোটেই সহজ হবে না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
লোকসভা নির্বাচনে একমাত্র দিল্লি ছাড়াও বাকি উল্লিখিত রাজ্যগুলিতে বিজেপির আসন কমেছে ২০১৯-এর তুলনায়। বিহারে বিজেপি ও এনডিএ উভয়েরই আসন কমেছে। সেই পরিস্থিতিতে যদি বিহারে বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গে জেডিইউয়ের জোট বজায় থাকে তাহলে মোটামুটি তিনটি পক্ষ নির্বাচনে লড়াই করবে। একটি এনডিএ, একটি কংগ্রেস-আরজেডির মহাজোট আর প্রশান্ত কিশোরের জনসুরাজ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রশান্ত কিশোর ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, বিহার জুড়ে জন সুরাজের যাত্রা সেপ্টেম্বরে শেষের পরে (যা চলছে গত প্রায় দেড় বছর ধরে) ২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের আত্মপ্রকাশ হবে। দলের নাম হবে জন সুরাজ পার্টি। সেই দল শুধু লড়াই নয়, ভোটে জয়ী হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
- এবার বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই
প্রশান্ত কিশোর জন সুরাজ যাত্রায় সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনেছেন। আর তিনি আহ্বান করেছেন, যাতে কেউ টানা কোনও দলের সমর্থক না হয়ে যান, জাতপাতকে সমর্থন না করেন। জনসভায় তাঁকে বিজেপিকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রচমন্ত্রী অমিত শাহকে বহিরাগত বলে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে।
- নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা
তৃতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, গত ১০ বছরে বিহারে কোনও উন্নয়ন হয়নি। গুজরাটে বুলেট ট্রেন তৈরি হচ্ছে, কারখানা আর কর্মসংস্থান হচ্ছে মহারাষ্ট্র-গুজরাতে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বিহারে আসেন ভোট চাইতে, কিন্তু শিল্প করেন গুজরাতে। প্রশান্ত কিশোরের এই পদক্ষেপ থেকেই পরিষ্কার তিনি কোন ইস্যুতে ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চান।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে ২০২৫-এ বিহারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আগে প্রশান্ত কিশোর ২০১৫ সালে বিহারে মহাজোটের হয়ে কাজ করেছিলেন। সেই সময় মহাজোটে নীতীশ কুমারের জেডিইউ ছাড়াও ছিল কংগ্রেস ও আরজেডি। ওই বছরে বিহারে বিজেপি ২৪৩ টি আসনের মধ্যে ৫৩ টিতে জয় পেয়েছিল। এনডিএ পেয়েছিল ৫৮ টি আসন। সেই বছরে ১৭৮ টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে মহাজোট।












Click it and Unblock the Notifications