বাংলাদেশে ক্ষমতার সমীকরণে বদল! জয়ের মাঝে সীমান্তে বাড়তি কড়াকড়ি, মালদহ-মুর্শিদাবাদে বিপদের আশঙ্কা, আর কোথায়?
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে চলছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ বিএনপি। ইউনূস জমানার পর নির্বাচিত সরকার ফেরায় স্বস্তি পাওয়া গেলেও সীমান্তবর্তী কয়েকটি আসনের ফলাফল নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে আবার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগের থেকে অনেক ভালো ফল করেছে, বিশেষ করে কয়েকটি সীমান্তঘেঁষা আসনে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও সাতক্ষীরার মতো এলাকায় জামাতের প্রার্থীরা বড় জয় পেয়েছেন। এইসমস্ত অঞ্চলগুলির একাংশ ভারতের মুর্শিদাবাদ, মালদহ, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং অসমের ধুবড়ির সীমানার খুবই কাছে। এর ফলে ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বেড়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা মহলে সতর্কতা।
সূত্রের খবর অনুসারে, সীমান্তবর্তী আসনগুলির মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ আসনেই জামাত প্রাধান্য পেয়েছে। আগে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (Inter-Services Intelligence)-এর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছিল। এর ফলে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই একই নেটওয়ার্ক আবারও সক্রিয় হতে পারে কি না, তা নিয়ে বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, 'র' (RAW) , 'আইবি' (Intelligence Bureau) ইতিমধ্যেই সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে। সেইসঙ্গে বিএসএফ (Border Security Force) সূত্রেও বাড়তি সতর্কতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে যে, সামরিক গোয়েন্দারাও নজরদারি জোরদার করেছে।
উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু কিছু সীমান্তঘেঁষা আসন বিএনপির দখলে গিয়েছে। তবুও, পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিছু অংশে জামাতের সাফল্য আলাদা করেই গুরুত্ব পাচ্ছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে বিধানসভা নির্বাচন থাকার কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications