বদলাতে চলেছে ইউপিএ শিবিরের মুখ! শরদ পাওয়ারের সভাপতিত্ব নিয়ে জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে
ইউপিএ শিবিরের চেয়ারপার্সন হতে পারেন শরদ পাওয়ার
ভোল বদালাচ্ছে ভারতীয় রাজ্য-রাজনীতির। এমনকী বদলে যাচ্ছে বিরোধী শিবিরের খোলনলচেও। সূত্রের খবর, বড় বদল আসতে চলেছে বিরোধী জোট ততা ইউপিএ-র গঠনকাঠামোতেও। কারণ ইউপিএ চেয়ারপার্সনের পদ থেকে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী সরে দাঁড়াতে পারেন বলেও জোর গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। সোনিয়া অবসর নিলে ওই শূন্যপদে কে বসবেন তা নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্য-রাজনীতিতে ফের গুরুত্ব বাড়ে এনসিপি-র
এদিকে মহারষ্ট্রের শেষ বিধানসভা নির্বাচনের হাত ধরেই জাতীয় রাজনীতির ময়দানে নতুন করে অক্সিজেন পায় এনপিসি। এমনকী বিজেপি বিরোধী জোটে শিবসেনা, কংগ্রেসের সঙ্গে হাতও মেলায় শরদ পাওয়ারের দল। তারপর থেকেই রাজ্য-রাজনীতির ময়দানে অনেকটাই প্রাসঙ্গিকতা বেড়েছে শরদ পাওয়ারের। সূত্রের, বর্তমানে সোনিয়া সরে দাঁড়ালে তাঁর জায়গায় ইউপিএ চেয়ারপার্সনের আসনে বসতে পারেন শরদ পাওয়ারই।

জাতীয় রাজনীতির ময়দানে আরও প্রাসঙ্গিকতা বাড়বে শরদ পাওয়ারের
এদিকে এই পদের কার্যক্রম সামলাতে দীর্ঘদিন থেকেই অনীহা প্রকাশ করে আসছিলেন সোনিয়া গান্ধী। এমনকী ঘনিষ্টমহলের কাছে তাঁর উত্তরসূরী খোঁজবার জন্য একাধিকবার আবেদনও করেন তিনি। এমতাবস্তায় এবার তার জায়গায় এনসিপি প্রধানের হাতেই ইউপিএ-র দায়ভার উঠতে চলেছে বলে খবর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের জাতীয় রাজনীতির ময়দানে এনসিপি-র গুরুত্ব যে আরও বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।

আগামী বছরেই নতুন সভাপতি পেতে চেলেছে কংগ্রেস, আসতে চলেছে নতুন চমক
অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতির পদটিও দীর্ঘদিন থেকেই খালি পড়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, এই পদে দলনেতা ঠিক করতে আগামী বছরই দলীয় পর্যায়ে ভোটাভুটির পথে এগোতে পারে কংগ্রেস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একাধিক সময়ে কংগ্রেসের সভাপতির দায়ভার রাহুলের কাঁধে থাকলেও তিনি আর সভাপতির পদে থেকে কাজ করতে চাইছেন না। এমনকী গত লোকসভা ভোটের আগে তিনি পাকাপাকি বাবে দায়িত্ব ছেড়েও দেন। এদিকে রাহুলের ওই সিদ্ধান্তের পর থেকেই কংগ্রেসের কোনও স্থায়ী সভাপতি না থাকলেও অন্তবর্তী সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। এদিকে রাহুল অনিচ্ছা থেকেই স্পষ্ট খুব শীঘ্রই জাতীয় কংগ্রেস সভাপতির পদে নতুন মুখ দেখতে চলেছে দেশবাসী।

রাহুলের মতো তরুণ দলনেতা চাইছে না ইউপিএ শিবির
এদিকে বিহার ভোট হোক বা দক্ষিণ ভারতের নির্বাচন, গত কয়েক বছরে দেশব্যাপী অনেকটাই সাংগঠনিক শক্তি হারিয়েছে কংগ্রেস। এমতাবস্থায়, ইউপিও শিবিরের আঞ্চলিক সহযোগীরাও আর কংগ্রেস শিবির থেকে কোনও দলনেতা চাইছেন না বলে খবর। এমনকী তাদের কোনও ভাবেই রাহুল গান্ধীর মতো তরুণ নেতাকেও পছন্দ না বলেই খবর। এমতবস্থায় সব দিক বিবেচনা করেই ইউপিএ চেয়ারপার্সনের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইছেন সোনিয়া। আর তাতেই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে শরদ পাওয়ারের ক্ষমতায়ণের প্রসঙ্গ।












Click it and Unblock the Notifications