Electoral bond: নির্বাচনী বন্ড কেলেঙ্কারিতে সিট, আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে
Electoral bond: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কর্পোরেট সংস্থাগুলি থেকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রাপ্ত অনুদান নিয়ে সিট গঠনের দাবি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার দেওয়া রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছে এই কথিত কেলেঙ্কারির এখনই তদন্তের প্রয়োজন নেই।
সর্বোচ্চ আদালত বলেছে কারও সন্দেহ থাকলে আইনি পথ নিতে পারেন। কোনও সমাধান না হলে তিনি আদালতে আসতে পারেন। প্রসঙ্গত, একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির অধীনে আদালতের তত্ত্বাবধানে সিটের তদন্তের দাবিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল।

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে কী অভিযোগ
কমন কজ কিংবা সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশনের মতো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা পিটিশনে রাজনৈতিক অনুদানের মাধ্যমে ঘুষ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আদালতে করা আবেদনে আবেদনকারীরা বলেছিলেন, ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে দেওয়া অনুদানে কোটি কোটি টাকার কেলেঙ্গারি হয়েছে। সিবিআই বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা এব্যাপারে তদন্ত করছে না, তাই এই পরিস্থিতিতে আদালতের তত্ত্বাবধানে এসআইটি তদন্তের দাবি জানানোর কথা বলা হয়।
সুপ্রিম কোর্টে কী দাবি
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, দাবিগুলির মধ্যে ছিল কোম্পানি ও রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধ তদন্ত করতে সিট গঠন করতে হবে, অর্জিত অর্থ বাজেয়াপ্ত করতে হবে, কোম্পানিগুলির ওপরে জরিমানা আরোপ করতে হবে, আদালতের পর্যবেক্ষণে তদন্ত পরিচালনা করতে হবে, ২০১৮ সাল থেকে আয়কর বিভাগকে আবার রাজনৈতিক দলগুলির মূল্যায়ন করার অনুমতি দিতে হবে।
তিনি আরও বলেছেন, আইনজীবীরা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আগেকার আদেশের পরে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সরকারের কাচ থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে তদন্তে সরকারি সংস্থা কিছুই করবে না, তাই সিট গঠন করা প্রয়োজন। এছাড়াও অনেক ক্ষেচত্রে এজেন্সির কিছু কর্মকর্তা নিজেরাই অনুদানের জন্য চাপ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত।
কী বলছেন প্রধান বিচারপতি
এব্যাপারে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, সংসদে করা আইনে নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলি অনুদান পেয়েছে, সেই আইনের ভিত্তিতেই। এই আইন এখন বাতিল করা হয়েছে। এখন আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এর অধীনে প্রদত্ত অনুদানের তদন্তের প্রয়োজন আছে কিনা।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের বলেছেন, সবই উপলব্ধি। কারণ সর্বোচ্চ আদালতের মনে হচ্ছে না, এখনই কোনও তদন্ত শুরু করতে হবে। তবে আইনে তদন্তের অনেক সুযোগ রয়েছে।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত রাজনৈতিক দলগুলিকে দেওয়া অনুদান বাজেয়াপ্ত করা কিংবা আয়করের পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন মনে করছে না।
কী বলছেন আবেদনকারীদের আইনজীবী
আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেছেন, এই মামলায় বিশেষ ত়দন্তের যোগ্যতা ছিল। কারণ এখানে সরকার, শাসকদল এবং শীর্ষ কর্পোরেট হাউস জড়িত। তিনি বলেন, আইএফবি অ্যাগ্রোর মতো কোম্পানি বন্ডে ৪০ কোটি টাকা দিয়েছে। কারণ তারা তামিলনাড়ুতে সমস্যার মধ্যে ছিল। তিনি আরও বলেছেন, এটি ভারতের ইতিহাসে সব থেকে খারাপ আর্থিক কেলেঙ্কারিগুলির মধ্যে একটি।
সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে কেন?
প্রধান বিচারপতি বলেছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে তদন্ত করা অকাল হবে। আবেদনকারীদের অন্য আইনি বিকল্পগুলি সন্ধান করা উচিত। তিনি বলেছেন, আইনি বিকল্প থাকলে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা ঠিক নয়।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications