২০১৮-র তুলনায় ২০২৩-এর কর্নাটক ভোটে বাজেয়াপ্ত ৪.৫ গুণ, জানেন কী কী আছে তালিকায়
নির্বাচন কমিশন ৩৭৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মাদক-সহ বেআইনি দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করেছে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত বিধানসভায় যে পরিমাণ জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, এবার তার থেকে সাড়ে চার গুণ বেশি মূল্যের জিনিস বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসপত্রের মধ্যে রয়েছে, শাড়ি, খাবারের কিট, প্রেসার কুকার এবং রান্নাঘরের যন্ত্রপাতির মতো নানা জিনিস। নির্বাচন কমিশন ২৯ মার্চ আদর্শ আচরণবিধি জারির পরে ২৮৮ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ইডি।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ব্যয় নিরীক্ষণের উপর ফোকাস রেখে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে শাড়ি, ফুড কিট, প্রেসার কুকার এবং রান্নাঘরের যন্ত্রপাতিও রয়েছে। পোল প্যানেল ৮১টি বিধানসভা আসনকে ব্যয় সংবেদনশীল নির্বাচনী এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করেছে।
উল্লেখযোগ্য অভিযানের মধ্যে রয়েছে কোলার জেলার বাঙ্গারাপেট কেন্দ্রে ৪.০৪ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, হায়দরাবাদে মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর গোয়েন্দা তথ্য এবং ট্রোল ম্যাপিং ব্যবহার করে এই অভিযান চালানো হয়েছে। বিদর জেলায় ১০০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
সমস্ত জেলা থেকেই মদ ও মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। কালবুর্গি, চিমংলুর-সহ অন্যান্য জেলা থেকে শাড়ি এবং খাবারের কিট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাইলহঙ্গল, কুনিগাল ও অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে প্রেসার কুকার এবং রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় রাজ্যে রেকর্ড করা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের পরিমাণ আগের তুলনায় সাড়ে চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কঠোর নজরদারি, ব্যাপক পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় এবং এজেন্সির মধ্যে সমন্বয় স্থাপন করার চেষ্টাতেই এই অভিযান।
কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রলোভন বিতরণের উপর নজরদারি এবং শূন্য সহনশীলতার উপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, কমিশন প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাধা উত্থাপন করেছে।
পাঁচটি রাজ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনের সময় প্রত্যাশিত প্রচেষ্টা এবং বাজেয়াপ্ত বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে কমিশনের পরিদর্শনের তারিখ থেকে নির্বাচন ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ৮৩.৭৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। সব হিসেবে ২০১৮-র তুলনায় ২০২৩-এর কর্নাটক ভোটে বাজেয়াপ্ত বহু বেশি।












Click it and Unblock the Notifications