ট্রাফিক নিয়ম ভেঙেও দিচ্ছেন না ই-চালান? বাতিল হতে পারে ড্রাইভিং লাইসেন্স!
গাড়ি চালাতে গিয়ে ট্রাফিক নিয়ম ভাঙলেই গুনতে হয় কড়কড়ে নোট! মানে ট্রাফিক পুলিশকে আপনাকে দিতে হয় ট্রাফিক চালান। আর বর্তমান সময়ে দেশের প্রায় সব জায়গায়েই অনলাইনের ওপর ভরসা রাখেন সকলে। এই ট্রাফিক চালান পেমেন্ট করতে বেশির ভাগ মানুষই পেটিএম বা অন্য যে কোনও ইউপিআই অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। আর যদি আপনি এই ট্রাফিক-ই- চালান যদি না দেন কিংবা কোনও কারণে দিতে না পারেন তাহলে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হতে পারে!
যারা তিন মাসের মধ্যে তাঁদের ট্রাফিক-ই- চালান না দেন বা দিতে না পারেন তাঁদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হতে পারে! সিগন্যাল ভাঙলে , র্যা শ ড্রাইভিং, কিংবা নিয়ম না মানলে তাঁদের লাইসেন্স কমপক্ষে তিন মাসের জন্য বাতিল করা হতে পারে।

ই-চালান শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র ৪০ শতাংশ টাকা আদায় করতে পেরেছে সরকার। তাছাড়াও অনেক গাড়ির চালকও কিন্তু সিগন্যাল মানচ্ছেন না, আর এগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার নতুন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।
২৩ টি রাজ্য ও ৭ টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণের ওপর আরও নজরদারি বাড়ায়, এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে এটি তৈরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আইন ১৩৬ ধারায় ট্রাফিকের সমস্ত ব্যবস্থা, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, গাড়ি চালানোর গতি, সিসিটিভি ক্যামেরা, স্পিড গান, গাড়ির নম্বর প্লেট যেন আরও উন্নত করা হয়, সেদিকেই নজর দিতে বলা হয়েছে।
বেশ কিছু রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ট্রাফিক আইন ভাঙার ঘটনা কিন্তু অনেক বেশি। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে রাজধানী দিল্লি, মাত্র ১৪ শতাংশ, তারপরেই রয়েছে কর্ণাটক ২১ শতাংশ, তারপরেই রয়েছে তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশে ২৭ শতাংশ, ওড়িশায় ২৯ শতাংশ, তারপরে স্থান রয়েছে রাজস্থান, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার। যেখানে জরিমানা আদায়ের হার ৬২ শতাংশ থেকে ৭৬ শতাংশের মধ্যে।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গাড়ির চালকদের দ্রুত ট্রাফিক-ই চালান না দেওয়ার পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। তারমধ্যে প্রথমেই রয়েছে চালান দেরি করে দেওয়া। এবার সরকার এমন একটি অপারেটিং পদ্ধতি নিয়ে আসতে চলছে, যেখানে গাড়ির মালিক কিংবা চালকদের কাছে বাকি থাকা ই চালান না দেওয়ার জন্য বারবার সতর্কতামূলক ম্যাসেজ পাঠানো হবে।












Click it and Unblock the Notifications