নদীতে ভেসে আসছে একের পর এক করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ! ভয়ঙ্কর ছবিতে শিউরে উঠছে দেশ
গোটা দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। প্রত্যেক রাজ্যেই কার্যত একই ছবি। সংক্রমণের নিরিখে কার্যত ভয়াবহ অবস্থা উত্তরপ্রদেশে। যদিও যোগী রাজ্যে সংক্রমণ নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ সামনে এসেছে। আর সেই বিতর্কের মধ্যে ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এ
গোটা দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। প্রত্যেক রাজ্যেই কার্যত একই ছবি। সংক্রমণের নিরিখে কার্যত ভয়াবহ অবস্থা উত্তরপ্রদেশে। যদিও যোগী রাজ্যে সংক্রমণ নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ সামনে এসেছে। আর সেই বিতর্কের মধ্যে ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এল।

একটা নয়, দু'টো নয়, এক দিনে প্রায় এক ডজন দেহ ভাসতে দেখা গেল নদীর বুকে। রাজ্যে করোনার প্রকোপ লঘু করে দেখানো হচ্ছে বলে যখন অভিযোগে বিদ্ধ যোগী আদিত্যনাথ, ঠিক সেই সময় এমন শিউরে ওঠার মতো দৃশ্য সামনে এল।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, করোনায় কার্যত মড়ক লেগেছে যমুনার আশেপাশের গ্রামগুলিতে। গ্রামগুলিতে থাকা মানুষজনের কাছে তেমন অর্থ নেই যে আত্মীয়দের দেহ সৎকার করবেন তাঁরা। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিজনদের মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনটাই অভিযোগ।
আর সেগুলিই ভেসে উঠছে বলে দাবি একাংশের। প্রকাশিত সংবাদ বলছে, হামীরপুর জেলায় যমুনা নদীর উপর কানপুর-সাগর মার্গ সংযোগকারী একটি সেতুর উপর থেকে ভয়ঙ্কর এই ছবি দেখা যায়। ব্রিজের উপর থেকে যে ছবি ধরা পড়ে তা এককথায় ভয়ঙ্কর!
দেখা যায় উত্তরপ্রদেশের অন্যতম প্রধান নদী যমুনায় বেশ কিছু শব ভেসে যাচ্ছে। এমনকি দু'-একটি মৃতদেহ নদীর ধারেও ভেসে আসতে দেখা যায়।
সেখানে ভিড় করেছে কাকের দল। চড়ে বেড়াচ্ছে গরু-মহিষও। মৃতদেহ পাশ কাটিয়েই জলে মুখ লাগিয়ে তেষ্টা মেটাচ্ছে তারা। আর সেই দৃশ্য দেখেই সেতুর উপর গাড়ি নিয়ে থমকে যান অনেকে। রেলিং থেকে ঝুঁকে সেই দৃশ্য দেখেন হতবাক পথচারীরা।
খবর দেওয়া হয় পুলিশকেও। ট্র্যাক্টর নিয়ে গিয়ে নদীর তীর থেকে দু'টি দেহ তুলে নিয়ে সৎকার করা হয়। ওই দু'টি শবের মধ্যে একটি আধপোড়া দেহ ছিল বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। একসঙ্গে এত শব কোথা থেকে আসছে সেটাও বুঝতে পারছেন না কেউ। করোনয় মৃত্যু নাকি অন্য কোনও কারণ? এমনই সব প্রশ্ন সামনে আসছে। আর যদি সত্যি করোনা রোগীদের মৃতদেহ হয় সে ক্ষেত্রে সেটা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা ভেবে শিউরে উঠছেন সবাই। কানপুর আর হামীরপুরে কার্যত ত্রাসের কারণ হয়ে উঠেছে এই ঘটনা।
মৃত্যুর পর শব নদীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার প্রথা আজ নতুন নয়। আগে ও এক-দুটো দু'টো এভাবে ভেসে আসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু দেহ চোখে পড়লেও, এ ভাবে একসঙ্গে একডজন দেহ দেখা যায়নি আগে। তাই মৃতদেহগুলি করোনা রোগীদেরই বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। পুলিশ এখনও এ ব্যাপারে কোনও তথ্য দেয়নি। হামীরপুরের এসপি অনুপকুমার সিংহ জানিয়েছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications