কংগ্রেসের দোসর হতে চান না! নীতি আয়োগের বৈঠক থেকে মমতার বেরিয়ে আসা নিয়ে বড় দাবি বিজেপির
শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাঁকে সেখানে বলতে দেওয়া হয়নি। তারপরেই ইন্ডিযা ব্লক তীব্রভাবে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা। করে। পাল্টা সরকার ও নীতি আয়োগের তরফে দাবি করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি মিথ্যা।
রবিবার লখনৌতে সাংবাদিকে সম্মেলন করে শনিবারের ঘটনা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন বিজেপি মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী। তিনি প্রশ্ন করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন দিল্লিতে এসেছিলেন?

সংবাদ সংস্থা এএনআই-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেছেন, বিরোধীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলেছে। তিনি বলেছেন, ইন্ডিয়া ব্লক আগেই জানিয়েছিল তারা নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কট করবে। কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছিল, তাদের কোনও মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকে যাবেন না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে ভিন্ন মত পোষণ করেছিলেন।
কংগ্রেসের দোসর হতে চান না
তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের দোসর হতে চান না। সেই কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু করে দেখাতে এসেছিলেন। তিনি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিলেন, তাতে তিনি সফল হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ
তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র যিনি নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বেরিয়ে আসেন এবং অভিযোগ করেন তাঁর মাইক্রোফোন পাঁচ মিনিট পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, গোয়া, অসম, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা দীর্ঘ সময় ধরে বললেও, তাঁকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি।
নীতি আয়োগের সভা ছেড়ে বেরিয়ে এসে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, সভায় তাঁকে অপমান করা হয়েছে। তিনি এর পর থেকে আর নীতি আয়োগের সভায় যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন।
সরকারের দাবি
যদিও কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা নীতি আয়োগ, সবাই দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলছেন, তা মিথ্যা। বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতি আয়োগের বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়াকে কটাক্ষ করেছিলেন। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস নেতারা বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ক্রিপট রেডিই ছিল।
কোন কোনও রাজ্য অনুপস্থিত ছিল
সংবাদ সংস্থা পিটিআইঃএ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দশটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নীতি আয়োগের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিল। বৈঠকের পরে সিইও বিভিআর সুব্রামানিয়াম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, কেরল, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, দিল্লি, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীরা কিংবা তাঁদের কোনও প্রতিনিধি বৈঠকে ছিলেন না।












Click it and Unblock the Notifications