নাগরোটা এনকাউন্টারের সূত্র ধরেই খুলছে জট! জানুয়ারির জঙ্গি অনুপ্রবেশে গোয়েন্দাদের হাতে নতুন তথ্য
নাগরোটা এনকাউন্টারের সূত্র ধরেই খুলছে জট! জানুয়ারির জঙ্গি অনুপ্রবেশে গোয়েন্দাদের হাতে নতুন তথ্য
নাগরোটা এনকাউন্টার নিয়ে তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই সামনে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার এই তদন্তের হাত ধরেই জানুয়ারির জঙ্গি অনুপ্রবেশের পিছনে আরও স্পষ্ট হচ্ছে পাক যোগ। জম্মুর টোল প্লাজায় হামলাকারী জইশ জঙ্গিদের সূত্র ধরেই এবার সামনে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

গত বৃহঃষ্পতিবারই ভূস্বর্গে একটি বড় নাশকতার ছক বানচাল করে সেনা
গত ১৯ তারিখের জঙ্গি হামলার পর জম্মুর বান টোল প্লাজার কাছে জঙ্গিদের কাছ থেকে যে কমিউনিকেশন ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে তা থেকেই এই নতুন সূত্র মিলেছে বলে খবর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বৃহঃষ্পতিবারই ভূস্বর্গে একটি বড় নাশকতার ছক বানচাল করে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ জম্মুর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন নাগরোটার কাছে বান টোল প্লাজায় স্থানীয় নিরাপত্তা রক্ষী, সিআরপিএফ-র সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় চার পাক মদতপুষ্ট জঙ্গির।

নাগরোটা এনকাউন্টারের সূত্র ধরেই গোয়েন্দাদের হাতে নতুন তথ্য
এবার এই ঘটনার রেশ ধরেই কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নিয়ে পুলিশের হাত এল নয়া সূত্র। সূত্রের খবর, জইশ-ই-মহম্মদের অপারেশনাল কম্যান্ডার মুফতি রউফ আসগর ও কারি জারার নির্দেশেই ২৬/১১-র ধাঁচে কাশ্মীরে হামলার পরিকল্পনা করে ভারতে ঢুকেছিল ওই চার জঙ্গি। এমতাবস্থায় তদন্ত প্রক্রিয়া এগোত দেখা যাচ্ছে অকুস্থল থেকে জঙ্গিদের কথোপকোথনের কাজে ব্যবহৃত যে কমিউনিকেশ ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে তা আগেও অনুপ্রবেশের কাজে ব্যবহার করেছে জঙ্গিরা।

জানুয়ারি মাসেো বান টোল প্লাজার কাছে সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তিন জঙ্গির
সূত্রের খবর, জম্মুর একই টোল প্লাজার কাছে আগেও ঘাঁটি গেড়েছে পাক জঙ্গিরা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ বান টোল প্লাজার কাছেই ভারতীয় সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় তিন জঙ্গি। পাশাপাশি সেনার হাতেই গ্রেফতার হয় এক সমীর আহমেদ দার নামে এক ট্রাক চলক সহ তিন ব্যক্তি। এদিকে এই সমীর দার আবার ২০১৯ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামা হামলার আত্মঘাতী বোমারু আদিল দারের দূর সম্পর্কের আত্মীয় বলে জানা যায়।

জানুয়ারিতেও ব্যবহার করা হয়েছিল একই কমিউনিকেশন ডিভাইস
এদিকে গত সপ্তাহের হামলা প্রসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, নিহত চার জইশ জঙ্গিই আদপে পাকিস্তানের নাগরিক। বিপুল অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে বৃহস্পতিবার কাকভোরে সাম্বা সেক্টর দিয়ে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তান থেকে প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা টানেল পার করেই মূলত ভারতে ঢুকেছিল তারা। পুলিশ সূত্রে খবর, জানুয়ারির অনুপ্রবেশের সময়েও জঙ্গিরা যে ধরণের কমিউনিকেশন ডিভাইস ব্যবহার করেছিল, বর্তমানে সেই ধরণের কমিউনিকেশন ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে বান টোল প্লাজার কাছ থেকে। আগামীতে জঙ্গি ট্র্যাকিং সহ আরও একাধিক কাছে এই তথ্য গোয়ান্দাদের বিশেষ সহায়তা করবে বলেই মত ওয়াকি বহাল মহলের।












Click it and Unblock the Notifications