করোনার মাঝেই দেশ জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিশেষ দল রাজ্যে
করোনার মাঝেই দেশ জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিশেষ দল রাজ্যে
একে রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর! ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকেই দেশে আছড়ে পড়েছে করোনা। অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে। এই মুহূর্তে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ডেঙ্গু। এবার সবমিলিয়ে ন'টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপের কথা স্বীকার করে নিল কেন্দ্রীয় সরকার।

চণ্ডীগড়, লখনউ, জয়পুর, ভোপাল, শ্রীনগর সহ একাধিক বড় বড় শহরে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন মশাবাহিত এই রোগে। ইতিমধ্যেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১লক্ষ ১৬ হাজার ৯৯১জন। কেন্দ্রীয় সরকার স্বীকার করে নিয়েছে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, কেরল, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি ও জম্মু-কাশ্মীরে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিচ্ছে।
সরকারি তথ্য বলছে, সবমিলিয়ে ১২০ জন মারা গিয়েছেন উত্তর ভারতে। যার মধ্যে শুধুমাত্র পঞ্জাবেই মারা গিয়েছে ৬১ জন। মৃত্যুতালিকায় পঞ্জাবের পরই আছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান। উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন (২১ হাজার ৯৫৪জন)। এমতাবস্থায় যথারীতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিশেষ দল পৌঁছে গিয়েছে ন'টি রাজ্য তথা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, ৩১ অক্টোবর অবধি ১৫টি রাজ্য তথা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন। মোটের ৮৬ শতাংশ কেসই আসছে ওই রাজ্যগুলি থেকে৷ পঞ্জাব স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ অক্টোবর অবধি ১২০০০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। অমৃতসর, পাঠানকোট সহ বাথিণ্ডা, হোশিয়ারপুর, এসএএস নগরে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে এই রোগ। রাজস্থানের হালও খুব একটা ভাল নয়। ডেঙ্গুর প্রকোপে রাজ্যের বড় বড় হাসপাতালের একটিতেও শয্যা খালি নেই। হাসপাতালে মেঝেতে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে রোগীদের। রক্ত এবং প্লেটলেটের জন্য চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। সেই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ রঘু শর্মা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে৷ প্রত্যেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করছেন।












Click it and Unblock the Notifications