নেপথ্যে কি আমেথির হার? রাহুলের পদত্যাগের আটকাতে কোমর বাঁধছে দিল্লি কংগ্রেস
লোকসভার পর সভাপতির পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই অবস্থানে এখনও অনড় তিনি। তিনি চান না আর এই পদে থাকতে। চান না গান্ধী পরিবারের কেউ এই পদে থাকুন।
লোকসভার পর সভাপতির পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই অবস্থানে এখনও অনড় তিনি। তিনি চান না আর এই পদে থাকতে। চান না গান্ধী পরিবারের কেউ এই পদে থাকুন। গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউই নির্বাচিত হয়ে আসুন কংগ্রেসের শীর্ষপদে, দলের হাল ধরুন, চান রাহুল গান্ধী।

দলের ভরাডুবির নেপথ্যে
রাহুলের এই অনড় মনোভাবের পর দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বাধ্য হয়েই বিকল্প সন্ধানে নেমেছে। প্রাথমিকভাবে রাজি না হলেও, দলের শীর্ষ নেতারা এই ইস্যুতে আলোচনায় বসেছেন। কিন্তু কেন রাহুল নিতে চলেছেন এই সিদ্ধান্ত। দলের ভরাডুবি নাকি আমেথির হার?

অভিমানে সরছেন রাহুল
রাজনৈতিক মহলের বড় একটা অংশের মত, রাহুল আসলে অভিমান থেকেই সরে যাচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে। তিনি মনে করছেন, প্রিয় আমেথি যখন তাঁকে চায়নি, তখন সারা ভারত তাঁকে চাইবে কী করে। নিজের ঘরই তাঁকে ফিরিয়ে দিল, আর বাইরের সবাই কেন তাঁর প্রতি আস্থা রাখবে! তাই এই পদ থেকে সরে যাওয়াই ভালো।

কংগ্রেসের হাল ফেরাতে
রাহুল মনে করেন তিনি সরে গেলেই কংগ্রেসের হাল ফিরবে। তিনি তো সরে যাবেনই, একইসঙ্গে তিনি চান গান্ধী পরিবারের কেউ যেন এই পদে না বসেন। গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ কংগ্রেসের শীর্ষপদে বসুন। এই পরিস্থিতেই পরবর্তী কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে নাম উঠে আসছে অশোক গেহলটের। তিনি বর্তমানে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ছাড়াও অনেকের নামই উঠে আসছে কংগ্রেসের শীর্ষাসনে বসার জন্য।

ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি
এদিকে রাহুল গান্ধীকেই কংগ্রেসের শীর্ষাসনে চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। আর রাহুলের কংগ্রেস সভাপতির আসন ছাড়া এবং অশোক গেহলটের এই আসনে এগিয়ে থাকার তথ্য সামনে আসার পর শীলা দীক্ষিত ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রাহুলের পদত্যাগ আটকানোর শেষ চেষ্টা করবেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications