Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

জঙ্গি ডাক্তারদের যমদূত এই উর্দিধারী ডাক্তার! কীভাবে দেশকে বাঁচিয়েছিলেন সন্দীপ? জানুন সেই কাহিনী

দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর, প্রতিদিন কোনও না কোনও নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য কেবল দিল্লি ছিল না, বরং দেশের আরও অনেক শহর ছিল তাদের লক্ষ্যে। এই তথ্যের ভিত্তিতে, এটা স্পষ্ট যে গ্রেপ্তার হওয়া সন্ত্রাসীরা একটি বড়োসড়ো ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর দিল্লিতে নিস্তব্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যাচ্ছে যে, ফরিদাবাদে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়ার পর পর ডঃ উমর ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন বলে তাড়াহুড়ো করে এই বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল।

প্রকৃতপক্ষে, ১৭ অক্টোবর, জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার নওগামের রাস্তায় উর্দুতে কিছু পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সেই পোস্টারগুলিতে জৈশ-ই-মোহাম্মদের সদস্য কমান্ডার হানজলা ভাইয়ের স্বাক্ষরও ছিল। প্রথম নজরে, সেই পোস্টারগুলি স্বাভাবিক বলে মনে হলেও পরে শ্রীনগরের সিনিয়র পুলিশ সুপার (SSP) ডঃ জি.ভি. সন্দীপ চক্রবর্তী, তৎক্ষণাৎ এগুলির মধ্যে লুকিয়ে থাকা বিপদটির টের পেয়েছিলেন।

ডঃ জি.ভি. সন্দীপ কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের কাছে 'নাইট অফ দ্য ডেড' নামে পরিচিত। তিনি আগেও এরকম বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী মডিউল সম্পর্কে আগে থেকে জানতে পেরেছিলেন। অপারেশন মহাদেবে তিনি জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। জি.ভি. সন্দীপ জৈশের পোস্টারগুলির তদন্ত শুরু করে সিসিটিভি ফুটেজগুলি পরীক্ষা করেন। তিনি তিনজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন যারা আগেও কাশ্মীরের রাস্তায় পাথর ছুঁড়েছিল। তদন্তের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর, হরিয়ানা এবং উত্তর প্রদেশে বিস্তৃত একটি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায়।

এর ফলে জৈশ-ই-মোহাম্মদ সন্ত্রাসী মডিউলের সাথে জড়িত বেশ কয়েকজন কাশ্মীরি ডাক্তার এবং অন্যান্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ২,৯০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক, বোমা তৈরির উপকরণ এবং রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছিল। ১০ নভেম্বরের বোমা বিস্ফোরণের পর তদন্তকারী সংস্থাগুলি যখন মামলাটি একত্রিত করে তখন সমস্ত তথ্য প্রকাশ পেতে থাকে। তখন এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আইপিএস অফিসার ডঃ জি.ভি. সন্দীপের উপস্থিত বুদ্ধির কারণে অনেক জীবন বেঁচেছে।

ডঃ জি.ভি. সন্দীপ চক্রবর্তী অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ডাঃ জি.ভি. রাম গোপাল রাও ছিলেন একটি সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার। তাঁর মা, পি.সি. রঙ্গাম্মা ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের একজন কর্মকর্তৃ। তিনি তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা কুর্নুলের এ-ক্যাম্পের মন্টেসরি পাবলিক স্কুল থেকে শেষে করে কুর্নুল মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং ২০১০ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৪ সালে তিনি ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন।

২০২৫ সালের ২১শে এপ্রিল, তিনি শ্রীনগরের এসএসপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই পদটি কাশ্মীরের যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ। অনন্তনাগ, কুপওয়ারা এবং কুলগামের বিভিন্ন এলাকায় তার নেতৃত্ব সন্ত্রাসীদের হুমকিকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। বিদ্রোহ দমন অভিযানে সাহসিকতার জন্য তিনি ছয়বার রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (PMG) পেয়েছিলেনএবং বীরত্বের জন্য তিনি চারবার জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ পদক জিতেছিলেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+