নাশকতা! দিল্লি বিস্ফোরণে জড়িত ডক্টর উমর নবীর বাড়ি ভেঙে দেওয়া হল, আর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার?
সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে। যার ফলে ১২ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে হাসপাতালে আহত হওয়া এক ব্যক্তির চিকিৎসা চলতে চলতে তিনি মারা যান। বিস্ফোরণে আশেপাশে থাকা বেশ কয়েকটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বিস্ফোরণ মামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে ডক্টর উমর নবীর নামে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আর সেই কারণেই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সরকারের নির্দেশে রাতভর এক বড় অভিযান চালায় পুলওয়ামার কর্তৃপক্ষরা। অভিযানটিতে ডক্টর উমর নবীর বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়। এই অভিযানটির উদ্দেশ্য ছিল মারাত্মক বিস্ফোরণের সাথে যুক্ত নেটওয়ার্কগুলি ট্র্যাক করা এবং সেগুলি ভেঙে ফেলা। এই ঘটনা নিয়ে এখনও আরও তদন্ত চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে, ফরিদাবাদে একটি সন্ত্রাসী মডিউলের সাথে এই বিস্ফোরণের সম্পর্ক রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই হামলার পিছনে থাকা পুরো কাঠামোটি ভেঙে ফেলার জন্য তদন্ত চলছে।
মন্ত্রিসভা দিল্লি এই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণকে সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মন্ত্রিসভা নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই মিনিট নীরবতা পালন করেছিলেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয় এবং মন্ত্রিসভা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলে যে অপরাধীদের অবশ্যই শাস্তি দেওয়া হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে, দিল্লি বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (CCS) একটি বৈঠক করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনার পর, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ও তদন্তের আওতায় এসেছে। কারণ বিস্ফোরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্ত একাধিক ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় সরকার সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ডের ফরেনসিক অডিট ঘোষণা করেছে।












Click it and Unblock the Notifications