ন্যক্কারজনক! দলিতকে মেরে গোবর খাওয়ানোর অভিযোগ উচ্চবর্ণের বিরুদ্ধে
সম্প্রতি এক দম্পতিকে সরযূ নদী থেকে মারতে মারতে তুলে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটল। এক দলিতকে প্রথমে মারধোর করা হয় তারপর ওই ব্যক্তিকে জোর করে গোবর খাওয়ানো হল। ন্যাক্কারজনক ঘটনা বলাই যায় দেশে বাড়ছে বই কমছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৪১৭ কিলোমিটার দূরে গদাগ জেলার মেনাসাগি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। কিছু গ্রামের মানুষের মধ্যে বচসার জেরে হাতাহাতি লেগে গিয়েছিল। এঁদের মধ্যে ছিল এক দলিত সম্প্রদায়ের ব্যক্তি। তাঁকে উচ্চ বর্ণের গোষ্ঠীর সদস্যরা গোবর খেতে বাধ্য করে।

জেলার রন থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, "ঘটনাটি মেনাসাগি বাসস্ট্যান্ডের সামনে ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ২৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম গোপন রাখা। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কয়েকজন লোক সেখানে এসে তাঁকে জাত তুলে গালিগালাজ করতে শুরু করে। যার ফলে মারামারি শুরু হয়ে হয়। লোকটি অভিযোগ করেছে যে তাকে গোবর খাওয়ানো হয়েছিল।"
পুলিশ আধিকারিক বলেছেন যে ২৬ বছর বয়সী ব্যক্তি প্রভাবশালী লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের পাঁচজনের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি নৃশংসতা (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তরা দলিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে। আধিকারিক বলেছেন, "তারা IPC-এর ৩২৩, ৩২৪, ৫০৪ এবং ৫০৬ ধারার অধীনে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে।"
পুলিশের কর্মকর্তা বলেছেন, ঘটনাটি ঘটেছিল আসলে ১৭ জুন। ওই ঘটনা ঘটার পর ১৮ জুন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল বলে কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে ঘটনাটি শুক্রবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। দলিত ব্যক্তি এবং তার অভিযুক্ত ব্যক্তি একই গ্রামের বাসিন্দা। ওই কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগে জোর করে গোবর খাওয়ানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি সন্দেহ করছেন যে এমন ঘটনা ঘটেছে কিনা।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে যখন রাজ্য জুড়ে বর্ণ-ভিত্তিক বৈষম্যের ক্রমবর্ধমান ঘটনা ঘটছে। কর্ণাটক পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে একজন পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরকে একজন দলিত ব্যক্তিকে প্রস্রাব পান করতে বাধ্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া ছিল।
গনিবিদু থানায় নিযুক্ত পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর অর্জুন হোরাকেরিকে চিক্কামাগালুরুর একটি আদালতে হাজির করা হয়েছিল এবং একজন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক তাকে ১৪ নের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছেন। এর আগে, ২ জুন কর্ণাটক হাইকোর্ট আগাম জামিনের জন্য পুলিশ অফিসারের আবেদন খারিজ করেছিল।
ঘটনাটি চলতি বছরের ১০ মে জেলার মুদিগেরে তালুকের গনিবেদু থানায় ঘটে। লোকটি চিক্কামাগালুরু পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে অভিযোগ দায়ের করার পরে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তার অভিযোগে, ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন যে গ্রামবাসীর একটি মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে গনিবেদু পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছিল এবং তাকে গ্রামের একটি দম্পতির মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করার অভিযোগ এনেছিল।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications