Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দৈনিক ভারতে আকস্মিক মৃত্যুর হার কত? রিপোর্টে উদ্বেগ!

২০২৩ সালে দৈনিক গড়ে ১৭৫ জনের হঠাৎ মৃত্যু, তার মধ্যে ১০০ জন হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন। জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরো (NCRB)-এর সর্বশেষ রিপোর্টে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক তথ্য। ২০২৩ সালে ভারতে মোট ৬৩,৬০৯টি হঠাৎ মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে ৩৫,৬৩৭টি ছিল হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যু। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১৭৫ জনের আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১০০ জন হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন।

২০১৯ থেকে ক্রমাগত বৃদ্ধি, বড়সড় লাফ ২০২২ ও ২০২৩ সালের
রিপোর্ট বলছে, ২০১৯ সালে যেখানে হঠাৎ মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪৭,২৯৫, তা বেড়ে ২০২৩ সালে দাঁড়িয়েছে ৬৩,৬০৯-প্রায় ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি। একইভাবে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা ২০১৯ সালের ২৮,০০৫ থেকে ২০২৩ সালে বেড়ে হয়েছে ৩৫,৬৩৭, যা প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি।

মহারাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত রাজ্য। এখানে হঠাৎ মৃত্যু হয়েছে ২১,৩১০ জনের, যার মধ্যে ১৪,১৬৫ জন হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। অর্থাৎ রাজ্যের মোট হঠাৎ মৃত্যুর প্রায় ৬৬ শতাংশই হার্ট অ্যাটাকজনিত।

এরপর রয়েছে কর্নাটক (৭,৫৫১ মৃত্যু, এর মধ্যে ২,৩৫২ হার্ট অ্যাটাক) এবং কেরালা (৬,৯৩০ মৃত্যু, এর মধ্যে ৪,৩৪৫ হার্ট অ্যাটাক)।

এই তিন রাজ্য মিলেই দেশের মোট হঠাৎ মৃত্যুর প্রায় ৫৬ শতাংশ এবং হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যুর প্রায় ৫৯ শতাংশ দখল করেছে।

ব্যতিক্রমী চিত্র
ওড়িশা (৫৮৯), পুদুচেরি (৪৮) এবং লক্ষদ্বীপ (১)এই তিন জায়গায় ১০০ শতাংশ হঠাৎ মৃত্যুই ঘটেছে হার্ট অ্যাটাকের কারণে।

রিপোর্টে দেখা গেছে, ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হঠাৎ মৃত্যু ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটেছে। এরপর রয়েছে ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের অবস্থান।

NCRB রিপোর্ট "Accidental Deaths and Suicides in India" তে বলা হয়েছে, হঠাৎ মৃত্যু বলতে বোঝানো হয়েছে এমন মৃত্যু যা অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটে তাৎক্ষণিক বা কয়েক মিনিটের মধ্যে, সহিংসতার কারণে নয়। এর মধ্যে হার্ট অ্যাটাক, ব্রেন হ্যামারেজসহ একাধিক কারণ অন্তর্ভুক্ত।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, হঠাৎ মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে দেশে বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করেছে। আইসিএমআর (ICMR) ও এনসিডিসি (NCDC)-র গবেষণা বলছে, ভারতের কোভিড ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর।
এখনও পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি যে কোভিড ভ্যাকসিনের সঙ্গে হঠাৎ মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, হৃৎপিণ্ডজনিত মৃত্যু নানা কারণে হতে পারে জিনগত কারণ, জীবনযাত্রার ধরন, আগে থেকে থাকা অসুস্থতা কিংবা পোস্ট-কোভিড জটিলতা।

পরিসংখ্যান বলেছে, দেশে হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে এছাড়াও এর মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। বিশেষ করে মধ্যবয়সীদের মধ্যে এই প্রবণতা চোখে পড়ার মতো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই মৃত্যুহার ঠেকনো সম্ভব।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+