Cyclone Mocha: ১৭৫-১৮০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে মোখা, বিধ্বংসী হতে চলেছে ল্যান্ডফল
বিধ্বংসী গতিতে এগোচ্ছে মোখা। তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে তার গতিবেগ। আইএমডি তথ্য দিয়েছে ১৭৫ থেকে ১৮০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টার গতিতে বইছে ঝড়। এবং যত ভূমির দিকে এগোতে থাকবে তত শক্তিসঞ্জয় করবে মোখা।
মোখার এই বিধ্বংসী রূপ যত প্রকাশ্যে আসছে তত ঝড়বৃষ্টি বাড়ছে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে। তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে গতি। সমুদ্রের উপরে এখনও অবস্থান করলেও বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের অনেকটা কাছেই চলে এসেছে মোখা। রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মাঝে কোনও একটা জায়গায় ল্যান্ডফল করবে মোখা।

গত কয়েকদিন ধরেই হাজার হাজার মানুষকে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সরাতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কক্সবাজার, নোয়াখালি , চট্টগ্রাম এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে মোখার। সেকারণে আগে থেকেই তৎপর বাংলাদেশ প্রশাসন। এই তিন জেলার উপকূলবর্তী এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শরণার্থীদেরও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গত ২ দশকে এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দেখেনি বাংলাদেশ এবং মায়ানমার। নার্গিস এসেছিল ২০০৮ সালে। তাতে কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল মায়ানমারে। সেই আশঙ্কায় বাংলাদেশ ১ লক্ষ রোিহঙ্গা শরণার্থীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। মায়ানমারেই সিটেই, এবং পশ্চিম রাখাইন জেলায় ল্যান্ডফল করার সম্ভাবনা রয়েছে মোখার।

এখন থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের বাসিন্দারা। সবচেয়ে বেশি উৎকণ্ঠায় দিন কাঠছে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দাদের। বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে তারা পাকা বাড়ি তৈরি করতে পারে না। ত্রিপল এবং বাঁশের ঘরে থাকে তারা। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মৎস্যজীবীদের আগেই সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে মোখার প্রভাব না পড়লেও ভারত কিন্তু সচেতন। সুন্দরবন উপকূলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘায় এদিকে ভিড় করতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। সমুদ্র উত্তাল হলেও তেমন কোনও প্রভাব দিঘায় পড়বে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।












Click it and Unblock the Notifications