২০২১ সালের প্রথমদিকে ভারতের বাজারে আসবে কোভিড ভ্যাকসিন, দেশে ট্রায়াল চলছে দারুণভাবে

২০২১ সালের প্রথমদিকে ভারতের বাজারে আসবে কোভিড ভ্যাকসিন, দেশে ট্রায়াল চলছে দারুণভাবে

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যেমন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে তেমনি জোর কদমে ট্রায়াল চলছে কোভিড–১৯ ভ্যাকসিনের। বার্নস্টেইনের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় বাজারে অনুমোদিত করোনা ভ্যাকসিন ২০২১ সালের প্রথমদিকে আসতে পারে। বিশ্বজুড়ে প্রতিষেধকের চারজন প্রার্থী এ বছর বা ২০২১ সালের প্রথমদিকে অনুমোদন পাওয়ার খুব কাছে রয়েছে। এর মধ্যে এজেড/‌অক্সফোর্ড ভাইরাল ভেক্টর প্রতিষেধক ও নোভাভ্যাক্সের প্রোটিন সাবইউনিট ভ্যাকসিন এই দুইয়ের ওপর অংশীদারিত্ব রয়েছে ভারতের।

২০২১ সালের প্রথম দিকেই আসবে করোনা ভ্যাকসিন

২০২১ সালের প্রথম দিকেই আসবে করোনা ভ্যাকসিন

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‌প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের ট্রায়ালের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে উভয় পর্যায়েই সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার সক্ষমতাকে তুলে ধরা হয়েছে।' রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘‌‌আমরা আশাবাদী যে ভারতের বাজারে অনুমোদিত ভ্যাকসিন ২০২১ সালের প্রথম দিকেই চলে আসবে।'‌ প্রসঙ্গত এই প্রতিষেধকের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিটি ডোজের জন্য ৩-৬ মার্কিন ডলার (‌২২৫ থেকে ৫৫০ টাকা ভারতীয় মুদ্রায়)‌। তবে হার্ড ইমিউনিটি বাস্তবায়নের জন্য আরও দু'‌বছর অপেক্ষা করতে হবে।

কিছু প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে

কিছু প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে

২০১১ সালের পোলিও নির্মূল অভিযান এবং সাম্প্রতিক ইনটেনসিফাইড মিশন ইন্দ্রধনুশ (আইএমআই) বড় আকারের প্রচারের উদাহরণ তবে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন বাস্তবায়ন কর্মসূচির ১/৩ অংশ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, ঠাণ্ডা ঘরে ভ্যাকসিনের সংরক্ষণ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে। এমনকী যদি বর্তমানে দ্বিগুণ পরিমাণে ভ্যাকসিনের ডোজ আসে তাও সরকারী কর্মসূচিতে বাস্তবায়নে ১৮-২০ মাস সময় লাগতে পারে। মধ্যস্থতাকারী এক ব্যক্তি বলেন, ‘‌আমাদের বিশ্বাস প্রথম ভ্যাকসিনের ডোজ বরাদ্দ করা হবে দুর্বল জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য সেবা কর্মী, ৬৫ বছরের ওপরে যাদের বয়স সেই জনসংখ্যা, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁদের এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ক্ষেত্রের জনসংখ্যার জন্য'‌।

উভয় ভ্যাকসিন প্রার্থী উচ্চ অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে

উভয় ভ্যাকসিন প্রার্থী উচ্চ অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে

ভ্যাকসিন পরীক্ষার বিষয়ে বিশদ বিবরণে বলা হয়েছে যে নোভাভ্যাক্সের প্রার্থী এজেড / অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের তুলনায় প্রায় ৫-৬ গুণ এইচসিএস (হিউম্যান কনভেলসেন্ট সেরা) উচ্চ অ্যান্টিবডি এবং ভাইরাল নিরপেক্ষতার উচ্চ মাত্রা দেখিয়েছেন, যা গড় এইচসিএস স্তরের কাছাকাছি এসেছিল। এগুলি অবশ্য কড়াভাবে তুলনামূলক নয় কারণ প্রচলিত গ্রুপগুলি আলাদা ছিল। কিন্তু উভয় ভ্যাকসিনই তৃতীয় স্তরে উন্নতি করার আশ্বাস দিয়েছে এবং ট্রায়াল চলছে। জানা গিয়েছে যে উভয় ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই ২টি করে ডোজ দেওয়া হবে ২১ থেকে ২৮ দিনের মাথায়।

কী বলছে সিরাম ইনস্টিটিউট

কী বলছে সিরাম ইনস্টিটিউট

বার্নস্টেইনের রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (‌এসআইআই)‌ সেরা জায়গায় রয়েছে প্রথম ভ্যাকসিন সরবরাহ করার জন্য। এজেড/‌অক্সফোর্ড ও নোভাভ্যাক্স উভয় ভ্যাকসিনের উৎপাদন ও বাণিজ্যের জন্য এসআইআইয়ের সঙ্গে অংশাদারিত্ব রয়েছে। প্রোটিন সাব-ইউনিট (বাণিজ্যিক) এবং ভাইরাল ভেক্টর (পাইপলাইন) উভয় প্রযুক্তিতে এসআইআইয়ের বিদ্যমান ক্ষমতা রয়েছে এবং তাদের বর্তমান সক্ষমতা পুনরীয় বাড়ানো যেতে পারে। এসআইআই এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা উৎপাদনশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারি না। তারা আরও ১ বিলিয়ন ডোজ অতিরিক্ত সক্ষমতা বিনিয়োগ করছে এবং আমাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৬০০ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ হবে ২০২১ সালে এবং এক বিলিয়ন ডোজ ২০২২ সালে, এর মধ্যে ৪০০-৫০০ মিলিয়ন ডোজ ভারতের জন্য ২০২১ সালে উপলব্ধ হবে।' এসআইআইয়ের পাশাপাশি ভারত বায়োটেক ও বায়োলজিক্যাল ই নিজেদের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে এবং ইতিমধ্যে তা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে। ‌ ‌

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+