Corona JN.1 Varient: ফের হাজির করোনা, লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত, নতুন ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গ কী জানেন?
ফের করোনা থাবা বসিয়েছে দেশে। লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই ১৪২ জন দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারমধ্যে আবার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। কর্নাটক সরকার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করেছে।
গতকালই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে গোটা দেশে সতর্ক করা হয়েছে। সব রাজ্যগুলিতে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা মোকাবিলার জন্য হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত রাখতে হবে। অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংখ্যা পর্যাপ্ত রয়েছে কিনা সেটা দেখতে হবে। এমনকী ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশ্যে আসলে সেদিকে নজর রাখতেও বলা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই গোটা দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ছুঁইছুঁই হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ ভারতের দুই রাজ্য কেরল এবং কর্নাটকে নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যার হদিশ মিলেছে। সোমবার পর্যন্ত এই দুই রাজ্যে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তাতে শুধু কেরলেই মারা গিয়েছেন ৫ জন। আর একজন মারা গিয়েছেন উত্তর প্রদেশে। কর্নাটকে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১৯ হয়ে গিয়েছে।
সাধারণ সর্দিকাশির মতোই দেখা দিচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গ। তবে তার সঙ্গে আরও অনেককিছু রয়েছে। ইফ্লুয়েঞ্জার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। কাজেই প্রথমে এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীদের আলাদা করে চিহ্নিত করা কঠিন। প্রথমে সকলেই মনে করবেন যে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হচ্ছেন রোগী। কিন্তু সেটা নয় করোনার জেএন ১ ভ্যারিয়েন্ট থাবা বসিয়েছে শরীরে।
সর্দি-কাশি হালকা জ্বরের সঙ্গে থাকছে মাথা ব্যথা-গায়ে ব্যথা। তার সঙ্গে কারোর কারোর আবার শ্বাসকষ্টও দেখা দিচ্ছে। নতুন উপসর্গের মধ্যে থাকছে হজমের সমস্যা। অনেকেরই হজমের সমস্যা থাকে। তাই আলাদা করে সেটা বোঝা সহজ হচ্ছে না। কেরলে এক মহিলার শরীরে প্রথম এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ পাওয়ার পরেই নড়ে চড়ে বসেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
এই জেএন ১ ভ্যারিয়েন্ট প্রথমে আমেরিকায় সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকায় করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। তারপরে ডিসেম্বর চিনে ফের বাড়তে শুরু করে করোনা ভাইরাস। ভারতে করোনার যে ভ্যারিয়েন্ট থাবা বসাতে শুরু করেছে সেটি সিঙ্গাপুরের বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications