দিল্লি ও হরিয়ানায় কোভিড গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নিম্নমুখী মহারাষ্ট্র
দিল্লি ও হরিয়ানায় কোভিড গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নিম্নমুখী মহারাষ্ট্র
দু’বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও নিস্তার কিন্তু মিলছে না করোনাভাইরাস থেকে। সারা দেশে দৈনিক কোভিডের সংখ্যা হ্রাস পেলেও রাজধানী দিল্লি, হরিয়ানা ও গুজরাতে গত সপ্তাহে নতুন সংক্রমণের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি কিন্তু দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। রাজধানীতে ৯৪৩ টি নতুন করোনা কেসের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সপ্তাহের থেকে ২৬ শতাংশ বেড়েছে। হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু হরিয়ানার নামও আছে। নতুন করে সংক্রমিতের সংখ্যা হয়েছে ৫১৪ জন। যা গত সপ্তাহের থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজধানী ও হরিয়ানাতে আক্রান্তের সংখ্যা কত
গত সপ্তাহে দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৫১ জন ও হরিয়ানায় ছিল ৩৪৪ জন। গুজরাতে এক সাত সপ্তাহে নতুন করে করোনা কেসের সংখ্যা ৮৯ শতাংশ বেড়েছে। সেই সঙ্গে আশার আলো দেখছে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি। যেখানে নতুন সংক্রমণে ক্রমাগত হ্রাসের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মহারাষ্ট্রে ৭৭৬ টি করোনা কেস নথিভুক্ত করা হয়েছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১২ শতাংশের থেকে কম। কর্ণাটকে সংক্রমণ ৮ শতাংশ কমেছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্র মারফত কী জানা গেল
সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশে সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ০.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৮ তে।

উদ্বেগ বাড়ছে নতুন প্রজাতি
বলা বাহুল্য, ওমিক্রনের XE ভ্য়ারিয়েন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যা নিয়ে উদ্বেগ অনেকটা বাড়ছে। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে রুখতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রাইভেট টিকা কেন্দ্রে সতর্কতামূলক ডোজ চালু করেছে। প্রথম দিনে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ হাজার জন বিকেল সাড়ে ৫ টার মধ্যে সতর্কতামূলক ডোজ গ্রহণ করেছিলেন। যা জানা গিয়েছে সরকারি তথ্য অনুসারে।

এক সরকারি কর্মকর্তার মত কী
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সরকারি কর্মকর্তারা জানান, প্রথম দিনটি একটি সাপ্তাহিক ছুটি ছিল, কারণ সেদিন রাম নবমী ছিল। তাই কাজ ধীর গতিতে হয়েছে। ১৮+ কিশোর কিশোরীদের সতর্কতামূলক ডোজ খুব দেওয়া খুব জরুরি। আর সেটা দেওয়াও শুরুও হয়ে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, যদিও ভারতের এই স্বস্তিদায়ক করোনা গ্রাফের মাঝেও চিন্তার চোরকাঁটা কিন্তু বিঁধে রয়েছে। ওমিক্রনের XE ভ্য়ারিয়েন্টের খোঁজ পাওয়ায় তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে অনেকটাই। এই প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা আরও বেশি বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের। এবার তা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, করোনার বড় বিপদ ছিল, তার সঙ্গে লড়াই করে অনেকটা পথ এগিয়ে এলেও কিন্তু বিপদ থেকে রেহাই পাওয়া যায়নি। তাই দেশবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications