Haryana Assembly Election: NC-র দাবিকে সমর্থন পাকিস্তানের , হরিয়ানার নির্বাচনে চাপ বাড়বে কংগ্রেসের
জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের শরিকি দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান দাবি ছিল ভূস্বর্গে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনা। অর্থাৎ তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমতায় এলে কাশ্মীর আবার আগের মর্যাদা ফিরে পাবে। ন্যাশনাল কনফারেন্সের এই প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানও।
পাকিস্তানের এই সমর্থন হরিয়ানার নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানের এই সমর্থনকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী প্রচারের নেমেছে বিজেপি। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ন্যাশনাল কনফারেন্সের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন প্রকাশ্যে। আর সেই পাকিস্তানের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে হরিয়ানায় প্রচার শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।

৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে কাশ্মীরে প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হল। প্রথম দফার ভোট নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতোঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটও শান্তিপূর্ণ হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এমনই দাবি করেছেন বিজেপি। এই ভোট ঐতিহাসিক বলে দাবি করেছে বিজেপি। কংগ্রেস ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে জোট বেঁধেই কাশ্মীরে ভোটের লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।
ভোটের প্রচারে ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে রাজ্যে ফের ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে। কাশ্মীর আবার আগে মতো বিশেষ মর্যাদা পাবে যদি তারা ক্ষমতায় আসেন। ন্যাশনাল কনফারেন্সের এই প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানও। তাতেই চাপ পড়েছে কংগ্রেসের।
হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে তাতেই চাপ বেড়েছে কংগ্রেসের। মনে করা হচ্ছে কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স কাশ্মীরে ক্ষমতায় আসবে। মনে করা হচ্ছে হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে পাকিস্তানের ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রতিশ্রুতিকে সমর্থনের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে বিজেপি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য হরিয়ানা থেকে প্রায় ১১ শতাংশ যুবা সেনাবাহিনীতে রয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ যুবা সেনাবাহিনীকে কাজ করছে। সেকারণে হরিয়ানা. অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মীর সংখ্যাও অনেক বেশি। সেকারণে পাকিস্তানের ন্যাশনাল কনফারেন্সের দাবিকে সমর্থন চাপ বাড়িয়েছে কংগ্রেসের তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
ইতিমধ্যেই একপদ এক পেনশনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০২৪-র লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করেছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনেও যে বিজেপির প্রচারে সেই দেশাত্মবোধই থাকবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উস্কে দিয়েছেন কংগ্রেসের বিরোধী প্রচার। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন পাকিস্তানের সমর্থন নিয়ে পাকিস্তানি নীতি কাশ্মীরে কার্যকর করতে চাইছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই বাড়া বাড়ি গিয়ে প্রচার অভিযান শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications