কোয়েম্বাটুরে ছাত্রী নির্যাতনকাণ্ড,অভিযুক্তদের গুলিবিদ্ধ করে গ্রেপ্তার, নারী নিরাপত্তা কোথায়?
তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় রবিবার এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, এই কাণ্ডে ধৃত ৩ অভিযুক্ত থাবাসি, কার্তিক ও কালিস্বরনকে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষের পর আটক করা হয়। পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে তাঁদের পায়ে আঘাত লাগে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অভিযোগ, একটি বেসরকারি কলেজের ওই ছাত্রী তার এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন। সেসময় অভিযুক্তরা জোর করে গাড়ি থামিয়ে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় ও অন্যত্র নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করে।
ঘটনার তদন্তে সাতটি বিশেষ পুলিশ দল গঠন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘটনার জেরে রাজ্যে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়েছে।
এদিকে বিরোধী শিবিরগুলো আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের সরকারকে নিয়ে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এডাপাডি কে পালানিস্বামী প্রশ্ন তুলেছেন "মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে কার্যকর পুলিশ ব্যবস্থা আছে তো?"
বিজেপি নেতা কে আন্নামালাই দাবি করেছেন "ডিএমকে সরকার ক্ষমতায় আসার পর নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলো ভয়ঙ্করভাবে বেড়েছে। অপরাধীরা আইনের ভয় হারিয়ে ফেলেছে।"
অভিনেতা তথা রাজনৈতিক নেতা বিজয় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন "জননিরাপত্তা কোথায়? অ্যানা ইউনিভার্সিটির ঘটনার ক্ষত শুকোনোর আগেই আরেকটি নারকীয় ঘটনা।"
এদিকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ঘটনাটিকে "রাজ্যের পুলিশের ব্যর্থতা" বলে মন্তব্য করেছে। তাদের প্রশ্ন "আর কত নির্ভয়া?"
ডিএমকে অবশ্য দাবি করেছে,
নারী নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার হচ্ছে। সম্প্রতি অ্যানা ইউনিভার্সিটিতে যৌন নির্যাতন মামলায় দ্রুত রায় ঘোষণার উদাহরণও তুলে ধরেছে ডিএমকে।
ডিএমকের মুখপাত্র ডঃ সৈয়দ হাফিজুল্লাহ বলেন "সারা দেশেই নারী নির্যাতনের হার বেড়ে চলেছে। তামিলনাড়ুতে প্রতিটি ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।"












Click it and Unblock the Notifications